টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। সেই পরিস্থিতি সামাল দেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জস ইংলিস ও ক্যামেরন গ্রিন। দুজনের ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে মাঝের দিকে ইনিংস গুছিয়ে নেয় অস্ট্রেলিয়া। ইংলিস ৫১ এবং গ্রিন ৫৩ রান করেন।
পরে ম্যাট রেনশর ৪৩ ও অলিভার পিকের ৩১ রানের ইনিংসে লড়াই করার মতো সংগ্রহ পায় সফরকারীরা। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে তাদের রান দাঁড়ায় ২৩১। পাকিস্তানের হয়ে অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি তিনটি উইকেট নেন। দুটি করে উইকেট পান আরাফাত মিনহাস, আবরার আহমেদ ও হারিস রউফ।
মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। প্রথম দুই ওভারেই দুই উদ্বোধনী ব্যাটারকে হারানোর পর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি স্বাগতিকরা। বাবর আজম, সালমান আলী আঘা ও আব্দুল সামাদের দ্রুত বিদায়ে একসময় ৫৮ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে বসে দলটি।
সেখান থেকে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন শাদাব খান। সাত নম্বরে নেমে তিনি ১০৪ বলে ৭১ রানের ইনিংস খেলেন। আরাফাত মিনহাসকে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে পাকিস্তানকে লড়াইয়ে রাখেন তিনি। তবে মিনহাস আউট হওয়ার পর চাপ আরও বাড়ে, আর শেষ পর্যন্ত একা লড়াই করে দলকে জয়ের বন্দরে নিতে পারেননি শাদাব।
বল হাতে অস্ট্রেলিয়ার জয় গড়ে দেন নাথান এলিস। ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করে ৩৩ রানে চার উইকেট নেন এই পেসার। পাশাপাশি ম্যাথু শর্ট তিনটি উইকেট শিকার করেন। অ্যাডাম জাম্পা, তানভির সাংঘা ও ম্যাথু কুহনেম্যান নেন একটি করে উইকেট।
শেষ পর্যন্ত ১৯০ রানে অল আউট হয় পাকিস্তান। এই জয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল অস্ট্রেলিয়া। ফলে দুই দলের মধ্যকার তিন ম্যাচের সিরিজের ভাগ্য নির্ধারণ হবে আগামী বৃহস্পতিবার, একই মাঠে অনুষ্ঠিত শেষ ম্যাচে।