অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪-১ ব্যবধানে অ্যাশেজ সিরিজ হারার পর নাটকীয় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসিবি। দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে জয় শূন্য ইংলিশরা। এই বাধা পেরুতে নর্থই হতে যাচ্ছেন ইংল্যান্ডের প্রধান ভরসা। সাবেক এই অজি টেস্ট ক্রিকেটারই হতে যাচ্ছেন ইংল্যান্ডের প্রথম কোনো বিদেশী নির্বাচক।
ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ইংলিশ পেসার স্টিভেন ফিন ও ড্যারেন গফকে পেছনে ফেলে এই পদ পেয়েছেন সাবেক ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি ব্যাটার। নর্থের নিয়োগকে নিশ্চিতভাবেই বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে ধরা হচ্ছে। ২০০৯ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২১টি টেস্ট খেলেছেন নর্থ।
করেছেন পাঁচটি সেঞ্চুরি, যার মধ্যে হেডিংলিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে স্মরণীয় একটি অ্যাশেজ সেঞ্চুরিও রয়েছে। গত দুই দশকের বড় একটি সময় তিনি ইংলিশ ক্রিকেটের সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন। ছয়টি কাউন্টি দলের হয়ে খেলেছেন এবং গত আট বছর ধরে ডারহামের ক্রিকেট পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
৪৬ বছর বয়সী নর্থ ডারহামে বেন স্টোকসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন। এ ছাড়া সাদা বলের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক এবং ইংল্যান্ড লায়ন্স কোচ অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফের সঙ্গেও তার দারুণ সম্পর্ক রয়েছে। নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব নিলে দল নির্বাচনে একচ্ছত্র আধিপত্য থাকবে নর্থের। যা লুক রাইটের ছিল না।
২০২৯-৩০ মৌসুমে ইংল্যান্ডের পরবর্তী অ্যাশেজ চক্রের আগে ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনায় তিনি কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, ক্রিকেট পরিচালক রব কি ও অধিনায়ক স্টোকসের সঙ্গে কাজ করবেন। ইংল্যান্ড আশাবাদী এই অজি নির্বাচকই তাদের সঠিক পথ দেখাতে পারবেন।