গত বছর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা জেতে প্রোটিয়ারা। ১৯৯১ থেকে ১৯৯২ মৌসুমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তনের পর লাল বলের ক্রিকেটে সাউথ আফ্রিকার এটাই সর্বোচ্চ সাফল্য। খেলোয়াড় হিসেবে ভারতের আধিপত্যে খুব বেশি পরিবর্তনের সুযোগ নেই বলে ধারণা হার্মারের।
প্রোটিয়া এই স্পিনার দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘তাদের বাণিজ্যিক শক্তির কারণে সব ক্ষমতাই তাদের হাতে। বিসিসিআই আইসিসিকে নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু আমরা কী করতে পারি? একজন খেলোয়াড় হিসেবে আপনি কেবল নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিষয়গুলোই সামলাতে পারেন। গল্প বদলায় একমাত্র ট্রফি জিতলে।’
গত বছর ঘরের মাঠে ভারতকে ২-০ ব্যবধানে হারানো সাউথ আফ্রিকা দলের সদস্য ছিলেন হার্মার। শুভমান গিলের দল টানা দ্বিতীয়বারের মতো সিরিজ হারের স্বাদ পায়। বর্তমান টেস্ট সেটআপের সাফল্যের জন্য প্রধান কোচ শুকরি কনরাড ও অধিনায়ক টেম্বা বাভুমাকে কৃতিত্ব দিয়েছেন তিনি। স্পষ্টভাষী কনরাড যেকোনো ক্রিকেটারকেই খুব ভালোভাবে সামলাতে পারেন বলে মনে করেন হার্মার।
তিনি যোগ করেন, ‘এই দলটি তাদের অংশগুলোর যোগফলের চেয়েও বেশি শক্তিশালী, যেখানে মাত্র কয়েকজন সুপারস্টার আছে।’ বিশেষ করে কনরাডের সোজাসাপ্টা মনোভাব তাঁর কাছে প্রশংসনীয়। ‘যদি তিনি মনে করেন আপনি খারাপ, তিনি সরাসরি বলবেন। আমি এটা পছন্দ করি। সব সময় এমনটা পাইনি।’
তিনি কাউন্টি ব্যবস্থারও সমালোচনা করেছেন। হার্মার মনে করেন, সেখানে মাঝামাঝি মানের পারফরম্যান্স করেও অনেক ক্রিকেটার টিকে থাকার সুযোগ পান। হার্মারের ভাষ্য, ‘১৮টি দল থাকায় গড়পড়তা মানের জন্য জায়গা থাকবেই। অনেক ক্রিকেটার আছে যারা কেবল গড়পড়তা চুক্তি ধরে রাখতে যতটুকু দরকার, ততটুকুই করছে।’