এই পারফরম্যান্সের সুবাদে টি-টোয়েন্টি বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে তিন ধাপ এগিয়ে ৪১তম স্থানে উঠেছেন আতাপাত্তু। একই সঙ্গে ৩৬ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার টি-টোয়েন্টির অলরাউন্ডারদের তালিকায় দুই ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন তৃতীয় স্থানে। অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ে আতাপাত্তু পেছনে ফেলেছেন ভারতের দীপ্তি শর্মা এবং অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশ গার্ডনারকে।
এখন তার সামনে রয়েছেন শুধু নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মেলি কার এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক হেইলি ম্যাথিউস। এদিকে টি-টোয়েন্টি ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে হার্ষিতা সামারাবিক্রমা পাঁচ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ২০তম স্থানে এবং ইমেশা দুলানি ২৩ ধাপ এগিয়ে ৪৯তম স্থানে উঠেছেন।
বোলারদের তালিকায় কাভিশা দিলহারি দুই ধাপ এগিয়ে ১৭তম এবং মালকি মাদারা ১১ ধাপ এগিয়ে ৪৪তম স্থানে উঠে আতাপাত্তুর সঙ্গে নজরকাড়া উন্নতি করেছেন। সিরিজ হারলেও বাংলাদেশের কয়েকজন খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স ছিল দারুণ। যার প্রভাব পড়েছে আইসিসির প্রকাশিত র্যাঙ্কিংয়েও।
ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে শারমিন আক্তার সুপ্তা ১০ ধাপ এগিয়ে ৩৭তম, দিলারা আক্তার পাঁচ ধাপ এগিয়ে ৫৫তম এবং স্বর্ণা আক্তার ১৯ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৬২তম স্থানে উঠেছেন। বোলারদের তালিকায় সুলতানা খাতুন ৪৮ ধাপ এগিয়ে ৩৮তম স্থানে উঠেছেন। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে বেশি উন্নতি করেছেন।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে থাকা পাকিস্তানি ব্যাটারদের মধ্যে সিদরা আমিন তিন ধাপ এগিয়ে ১১তম স্থানে উঠেছেন। সাদাফ শামাস ১২ ধাপ এগিয়ে ৭২তম স্থানে উঠে এসেছেন, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওপেনিংয়ে ৯৮ রানের ইনিংস খেলে।বোলারদের তালিকায় নাশরা সান্ধু এক ধাপ এগিয়ে ১১তম স্থানে উঠেছেন। অধিনায়ক ফাতিমা সানা দুই ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ২৬তম স্থানে উঠে এসেছেন।