আইপিএলে দল না পাওয়া ‘আশীর্বাদ’ হবে বিশ্বাস স্মিথের

আইপিএল
জেমি স্মিথ, ইংল্যান্ড
জেমি স্মিথ, ইংল্যান্ড
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
গত ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের নিলাম। সেখানে অবিক্রিত ছিলেন জেমি স্মিথ। তবে আইপিএলে দল না পাওয়াই শেষ পর্যন্ত নিজের জন্য আশীর্বাদই হতে পারে বলে মনে করছেন ইংল্যান্ডের এই ক্রিকেটার।

ইংল্যান্ডের আসন্ন টেস্ট মৌসুমের আগে নিজের টেকনিক্যাল ঘাটতিগুলো কাটিয়ে ওঠার দিকেই এখন মনোযোগ দিচ্ছেন তিনি।অ্যাশেজ সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪-১ ব্যবধানে হারের সিরিজে স্মিথ ছিলেন ছন্দহীন। পাঁচ টেস্টে মাত্র ২১১ রান, হাফ সেঞ্চুরি ছিল মাত্র একটি।

সেই সঙ্গে ট্রাভিস হেডের একটি সহজ ক্যাচ ছাড়েন তিনি। এর ফলে সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছে তাকে। মরার ওপর খাঁড়ার ঘাঁ হিসেবে যুক্ত হয়েছে ইংল্যান্ডের শ্রীলঙ্কা সফরের সাদা বলের দল থেকে বাদ পড়া। সব মিলিয়ে এই অবসর সময়ে নিজেকে নতুন করে তৈরি করতে চান এই ক্রিকেটার।

সম্পতি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপাকালে স্মিথ বলেন, 'তখন অবশ্যই আইপিএলে যেতে চাইতাম। খেলার সব দিক উন্নত করাই আমার লক্ষ্য, আর আইপিএল সাদা বলের ক্রিকেটে উন্নতির পাশাপাশি লাল বলেও উপকার করে। কিন্তু পরে ভেবে দেখলে, এখানে এসে লাল বলের ক্রিকেটে কাজ করার সুযোগ পাওয়া দারুণ হয়েছে। মৌসুমের শেষ দিকে আর শীতের সময়ে টেকনিক্যালভাবে নিজেকে একটু ছন্দহীন মনে হচ্ছিল।'

দ্য ওভালে অনুশীলনে কিছু বিষয় নিয়ে কাজ করছেন তিনি। আশা করছেন, কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ছয় কিংবা সাতটি ম্যাচে সেগুলো প্রয়োগ করতে পারবেন। এরপর দেখা যাবে, ইংল্যান্ড দলে ফেরার সুযোগ আসে কি না। ইংল্যান্ড দলে তার প্রতিদ্বন্দ্বী জর্ডান কক্স আইপিএলে খেলবেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে।

এর বাইরে জেমস রিউও ভালো করছেন। বিশেষ করেন ইংল্যান্ড লায়ন্সের হয়ে ভালো খেলে তিনি আলোচনায় এসেছেন। এর ফলে চাপ বেড়েছে স্মিথের। ভারতের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজটি বেশ ভালো কেটেছিল স্মিথের। সেই সিরিজটিই আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে এই ইংলিশ ব্যাটারকে।

স্মিথ বলেন, 'ভারত সিরিজটি শারীরিক ও মানসিকভাবে খুবই কঠিন ছিল। এটি ছিল আমার প্রথম পাঁচ টেস্টের সিরিজ। এছাড়া আমরা ২৫ দিনের মধ্যে ২২ দিনই মাঠে ছিলাম, যা একেবারেই অবিশ্বাস্য। আর সবগুলো টেস্টই পাঁচ দিন করে হয়েছে। শেষ দিকে এসে আমি সম্পূর্ণ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম, এত কিছুর পর শারীরিক ও মানসিকভাবে একেবারে নিঃশেষ হয়ে গিয়েছিলাম।'

তিনি আরও যোগ করেন, 'সেখান থেকে শেখার বিষয় ছিল, কীভাবে নিশ্চিত করা যায় যে প্রথম ম্যাচ থেকে শেষ ম্যাচ পর্যন্ত নিজের মান যেন যতটা সম্ভব উচ্চ থাকে। সত্যি বলতে, অস্ট্রেলিয়াতেও বিষয়টা অনেকটা একই রকম ছিল। আমি জানি, কয়েকটি ম্যাচ মানুষের প্রত্যাশা বা চাওয়ার মতো দীর্ঘ হয়নি, কিন্তু তারপরও আমার মনে হয় না যে আমার মান খুব বেশি নিচে নেমে গিয়েছিল।'

আরো পড়ুন: