এবার খেলোয়াড়দের আর্থিক জরিমানার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। বাবর আজম-শাহীন শাহ আফ্রিদিদের ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করবে পিসিবি। পুরো টাকাটাও নিজেদের পকেট থেকেই দিতে হবে সকল ক্রিকেটারকে।
বিশ্বমঞ্চের প্রতিটি আসরে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে শোচনীয় হারই যেন এখন নিয়তি পাকিস্তানের। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর ম্যাচের বিজ্ঞাপনের বাজারে চড়া দাম থাকলেও পাকিস্তানের বাজে পারফরম্যান্সে একপেশে ম্যাচই হয়ে আসছে বিগত প্রায় সবগুলো বহুদেশীয় টুর্নামেন্টে।
এবারের বিশ্বকাপেও গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারতের কাছে শোচনীয়ভাবেই হারতে হয়েছে সালমান আঘার দলকে। এরপর সহযোগী সদস্য দুই দেশকে পেছনে ফেলে সুপার এইটে উঠলেও সেখানেও পাকিস্তানের পারফরম্যান্স ছিলো হতাশাজনক। বিশ্বকাপ অভিযান শেষের পর পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে ঘিরে বেশ কয়েকটি বড় সিদ্ধান্ত আসাটা অনুমেয়ই ছিল।
তবে খেলোয়াড়দের আর্থিক জরিমানার বিষয়টি চমক হয়েই এসেছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, বিশ্বকাপে খেলা পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের জনপ্রতি ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে পিসিবি। এই ৫০ লাখ রুপি খেলোয়াড়দের বেতন ও ম্যাচ ফি থেকে কেটে নেবে ক্রিকেট বোর্ড।
এ নিয়ে টানা চতুর্থ আইসিসি টুর্নামেন্টে সেমিফাইনালের আগেই বাদ পড়েছে পাকিস্তান। পিসিবির ভেতরে তাই দলের এমন বাজে পারফর্ম্যান্স নিয়ে ক্ষোভ স্পষ্ট। দলের এমন পারফর্ম্যান্সের প্রভাব পড়ছে পিসিবির আয়ের ওপর। এর আগেও পাকিস্তানের আর্থিক জরিমানার উদাহরণ থাকলেও এতবড় জরিমানা এবারই প্রথম।
শুধু আর্থিক জরিমানা হয়, আরো বেশ কয়েকটি বড় সিদ্ধান্ত আসতে যাচ্ছে পাকিস্তান দলকে নিয়ে। সালমান আলী আঘার অধিনায়কত্ব হারানোটা অনেকটা নিশ্চিত। এমনকি তার টি-টোয়েন্টি দল থেকেও বাদ পড়ার গুঞ্জন প্রবল। বাবর আজমও আবারও বাদ পড়তে পারেন দল থেকেও।
এছাড়াও প্রধান কোচ মাইক হেসন সহ টিম ম্যানেজম্যান্টের অনেকেই হারাতে পারেন চাকুরি। তবে সবকিছুর বাইরে, খেলোয়াড়দের আর্থিক জরিমানার বিষয়টি নিয়েই এখন আলোচনা পাকিস্তান ক্রিকেটে।