পাল্লেকেলেতে জয়ের জন্য ২২৬ রানের বড় লক্ষ্য তাড়ায় নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় ওমান। ইনিংসের প্রথম ওভারে অধিনায়ক জাতিন্দার এবং দ্বিতীয় ওভারে ফেরেন আমির। পাওয়ার প্লে শেষের আগে বিদায় নিয়েছেন হাম্মাদ মির্জা। ৩৬ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন নাদিম এবং ওয়াসিম আলী। তবে তাদের দুজনের কেউই দ্রুতগতিতে রান তুলতে পারেননি। ২০ বলে ২৭ রান করে ফেরেন ওয়াসিম।
এরপর আসা-যাওয়ার মিছিলে ছিলেন বিনায়েক শুক্লা, জিতেন রামানন্দী, নাদিম খানরা। তবে সবার আসা-যাওয়ার মাঝে একপ্রান্ত আগলে রেখে ৫২ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন নাদিম। তিনি শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ৫৬ বলে ৫৩ রানে। নাদিমের হাফ সেঞ্চুরির পরও ৯ উইকেটে ১২০ রানের বেশি তুলতে পারেনি ওমান। শ্রীলঙ্কার হয়ে ৪ ওভারে ১১ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন থিকশানা। সমান ৪ ওভারে এক উইকেট নিতে ওয়েলালাগের খরচা ১৭ রান।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে আক্রমণাত্বক শুরুর চেষ্টা করলেও দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। ৭ বলে ৮ রান করে ফেরেন কামিল মিশারা। পাওয়ার প্লে শেষের আগে আউট হয়েছেন পাথুম নিশানকাও। ১১ বলে ১৩ রান করা ডানহাতি ওপেনারকে ফেরান সুফিয়ান মাহমুদ। দ্রুত দুই উইকেট হারানোর পর ওমানের বোলারদের উপর তাণ্ডব চালান পবন ও কুশল মেন্ডিস।
ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন পবন। যদিও পঞ্চাশ ছোঁয়ার পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৮ চার ও এক ছক্কায় ২৮ বলে ৬০ রানের ইনিংস খেলে রামানন্দীর বলে। পবনের বিদায়ে ভাঙে মেন্ডিসের সঙ্গে ৯৪ রানের জুটি। একটু পর ৩৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন মেন্ডিস। ৭ চারে তিনি আউট হয়েছেন ৬১ রান করে। শেষ বেলায় মাত্র ২০ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলেন শানাকা। তাদের তিন জনের ব্যাটেই ২২৫ রানের পুঁজি পায় শ্রীলঙ্কা।