৭৩ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী গত কয়েক মাস ধরে কারাগারে প্রায় বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন। সেখানে চোখের সংক্রমণের শিকার হয়ে তার দৃষ্টিশক্তির গুরুতর অবনতি ঘটেছে বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবীরা। ২০২৩ সালের আগস্টে গ্রেফতারের পর একাধিক মামলায় তিনি কারাদণ্ড ভোগ করছেন। তবে ইমরান ও তার সমর্থকরা এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করে আসছেন।
ইমরানকে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করে ওয়াসিম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, 'আমাদের অধিনায়ক ইমরানের শারীরিক অসুস্থতার কথা শুনে মন ভেঙে যাচ্ছে। আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেবে এবং তার সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিত করবে। আমি তার মানসিক শক্তি, দ্রুত আরোগ্য ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি।'
ওয়াকারের ক্যারিয়ারেও ইমরানের প্রভাবের কথা উল্লেখ করা হয়। তিনিও এক পোস্টে লিখেছেন, 'রাজনীতিকে পাশে সরিয়ে রেখে বলছি, আমাদের জাতীয় বীর, যিনি ক্রীড়াক্ষেত্রে আমাদের সর্বোচ্চ গৌরব এনে দিয়েছেন এবং যার ক্যান্সার হাসপাতাল আমার মা-সহ অসংখ্য মানুষের সেবায় নিয়োজিত, তিনি আজ স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন এবং তার দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি, যেন সময়মতো তার উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।'
পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতারও এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, 'তার দৃষ্টিশক্তি হারাতে থাকার খবরটি আমাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। আশা করি, তিনি সর্বোচ্চ চিকিৎসা পাবেন।'
সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি চিকিৎসাসেবা পাওয়াকে ইমরানের মৌলিক অধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। রমিজ রাজা ইমরানের প্রতি মানবিক আচরণের আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি মোহাম্মদ হাফিজ তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন।
এই দাবির প্রতিধ্বনি পাকিস্তানের গণ্ডি ছাড়িয়ে ভারতেও পৌঁছেছে। ভারতের সাবেক ব্যাটার অজয় জাদেজাও পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের ইমরানের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।