চেন্নাইয়ে জয়ের জন্য ১৭৪ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ইনিংসের শুরু থেকেই আক্রমণাত্বক ব্যাটিং করেন সেইফার্ট ও অ্যালেন। তাদের দুজনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লেতে বিনা উইকেটে ৭৮ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। রান তোলার গতি আর থামাননি দুজনের কেউই। ব্যাট হাতে ঝড় তুলে মাত্র ২৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন সেইফার্ট। ৮.৩ ওভারে দলীয় একশ রান ছুঁয়ে ফেলে কিউইরা। একটু পর হাফ সেঞ্চুরি করেছেন অ্যালেনও। মাত্র ২৭ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন ডানহাতি এই ওপেনার।
হাফ সেঞ্চুরির পর দুজন আরও বেশি আক্রমণাত্বক হয়ে উঠেন। দুজনই সেঞ্চুরির চেষ্টা করেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বোলারদের হতাশায় ডোবালেও দুজনের কেউই সেঞ্চুরি করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১২ চার ও তিন ছক্কায় ৪২ বলে ৮৯ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন সেইফার্ট। আরেক ওপেনার অ্যালেন সমান পাঁচটি করে চার ও ছক্কায় ৫০ বলে ৮৪ রান করেছেন। তারা দুজনে মিলে অবিচ্ছিন্ন ১৭৫ রানের জুটি গড়েন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যেকোন উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি সংযুক্ত আরব আমিরাত। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ফেরেন আরিয়ানশ শর্মা। তবে দ্বিতীয় উইকেটে দারুণ এক জুটি গড়ে তোলেন আলিশান শারাফু ও মুহাম্মদ ওয়াসিম। তাদের দুজনের ব্যাটেই এগোতে থাকে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তিনে নেমে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৩৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন শারাফু। যদিও পঞ্চাশ ছোঁয়ার পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি।
মিচেল স্যান্টনারের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ছক্কা মারার চেষ্টায় ডিপ মিড উইকেটে ক্যাচ দিয়েছেন। মার্ক চ্যাপম্যান ও ড্যারিল মিচেলের প্রচেষ্টায় নেওয়া ক্যাচে ফেরেন ৪৭ বলে ৫৫ রান করা শারাফু। পরের ওভারে আউট হয়েছেন হার্শিত কৌশিকও। তবে সাবধানী ব্যাটিংয়ে হাফ সেঞ্চুরি করেছেন ওয়াসিম। ৩৭ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের অধিনায়ক।
হাফ সেঞ্চুরির পর দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন ওয়াসিম। যদিও প্রত্যাশা মেটাতে পারেননি তিনি। চারটি চার ও তিনটি ছক্কায় শেষ পর্যন্ত ৪৫ বলে ৬৬ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের অধিনায়ক। লকি ফার্গুসনের বলে আউট হওয়ার আগে ১৩ বলে ২১ রান করেছেন মায়াঙ্ক কুমার। ওয়াসিম ও শারাফুর হাফ সেঞ্চুরিতে ১৭৩ রানের পুঁজি পায় আরব আমিরাত। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ম্যাট হেনরি দুইটি উইকেট পেয়েছেন।