এই ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৮২ রান তোলে ক্যারিবিয়ানরা। জবাবে শেফার্ডের তোপে ১৪৭ রানে গুটিয়ে যায় স্কটিশরা। ইনিংসের ১৭তম ওভারে টানা তিন বলে শেফার্ড আউট করেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ম্যাথু ক্রস, মাইকেল লিস্ক এবং অলিভার ডেভিডসনকে। আর তাতেই হ্যাটট্রিক পূরণ হয়ে যায় শেফার্ডের।
সেখানেই থামেননি এই পেসার। ওভারের শেষ বলেও উইকেট তুলে নেন তিনি। ১৭তম ওভারের শেষ ডেলিভারিতে সাফায়ান শরিফকে আউট করে পূর্ণ করেন চার উইকেটের ওভার। শরিফ কোনো রানই তুলতে পারেননি। স্কটল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন অধিনায়ক রিচার্ড ব্যারিংটন।
এর বাইরে বিশের ঘন্ডি পেরুতে পেরেছেন কেবল টম ব্রুস। তিনি ২৮ বলে ৩৫ রান করে। শেফার্ড এদিন ২০ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা বোলার। আর ৩টি উইকেট নেন জেসন হোল্ডার। একটি করে উইকেট পেয়েছেন শামার জোসেফ ও গুড়াকেশ মোতি।
এর আগে টসে জিতে ফিল্ডিং নেয় বাংলাদেশের বদলি হিসেবে বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়া স্কটল্যান্ড। প্রথম ছয় ওভারে ক্যারিবীয়দের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৩ রান, যদিও কোনো উইকেট হারায়নি তারা। সাবধানী ব্যাটিংয়ে শুরু করলেও ইনিংসের ভিত গড়ে দেন দুই ওপেনার ব্রেন্ডন কিং ও শাই হোপ। এই জুটি ৮.২ ওভারে যোগ করে ৫৪ রান।
অধিনায়ক শাই হোপ ২২ বলে ১৯ রান করে ফিরলে ক্রিজে আসেন শিমরন হেটমায়ার। এরপরও রানের গতি খুব একটা বাড়েনি। দলীয় ৫৮ রানে আরেক ওপেনার ব্রেন্ডন কিং (৩০ বলে ৩৫) আউট হলে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। রভমান পাওয়েলকে সঙ্গে নিয়ে হেটমায়ার আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন। মাত্র ৩৭ বলে এই জুটিতে আসে ৮১ রান।
হেটমায়ার ২২ বলে ফিফটি পূর্ণ করে ভেঙে দেন ক্রিস গেইলের দ্রুততম অর্ধশতকের রেকর্ড। শেষ পর্যন্ত ৬টি ছক্কায় ৩৬ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। পাওয়েল ১৪ বলে করেন ২৪ রান, আর শেরফান রাদারফোর্ডের ১৩ বলে ২৬ রানের ক্যামিওতে ভর করে লড়াইয়ের পুঁজি নিশ্চিত হয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের।