চূড়ান্ত স্কোয়াডে জায়গা হয়নি স্টিভেন স্মিথেরও। কামিন্সকে শুরুতে ১৫ জনের প্রাথমিক দলে রাখা হয়েছিল, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া আশাবাদী ছিল পিঠের চোট কাটিয়ে উঠতে পারবেন তিনি। এমনকি শুরুর দিকের কিছু ম্যাচে তাকে ছাড়াই মাঠে নামার পরিকল্পনা সাজিয়ে রেখেছিল অজিরা।
সেই পরিকল্পনাও কাজে লাগেনি। জানা গেছে পুরো বিশ্বকাপেই খেলতে পারবেন না তিনি। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যাডিলেড টেস্টের পর থেকে আর কোনো ম্যাচ খেলেননি কামিন্স। ওই টেস্টটিই ছিল গত জুলাইয়ের পর তার একমাত্র ম্যাচ। অ্যাশেজ নিশ্চিত হওয়ার পর অ্যাডিলেড টেস্টের পরই কামিন্সকে বিশ্রামে পাঠানো হয়।
লক্ষ্য ছিল টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য তাকে ধীরে ধীরে প্রস্তুত করা। জানুয়ারিতে তার সর্বশেষ স্ক্যানের ফল ইতিবাচক হলেও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, পুরোপুরি সেরে উঠতে তার আরও সময় প্রয়োজন। সবকিছু ঠিক থাকলে আইপিএল দিয়ে আবারও মাঠে ফিরতে পারেন অস্ট্রেলিয়ার এই পেসার।
কামিন্সের চোট নিয়ে অস্ট্রেলিয়া দলের নির্বাচক টনি ডোডেমাইড বলেন, 'প্যাটের পিঠের চোট থেকে সেরে উঠতে আরও সময় লাগায় বেন আমাদের জন্য প্রস্তুত বিকল্প। সে বাঁহাতি পেস বোলিংয়ের পাশাপাশি দারুণ ফিল্ডিং ও লেট অর্ডারে কার্যকর ব্যাটিংয়ের সক্ষমতা এনে দেবে। ভালো গতিতে সুইং করানো আর বৈচিত্র্যপূর্ণ ডেলিভারির কারণে আমরা মনে করি, প্রত্যাশিত কন্ডিশনে ও দলের সামগ্রিক কাঠামোয় সে দারুণ মানিয়ে যাবে।'
এদিকে প্রাথমিক দলে জায়গা না পাওয়া ডোয়ারশুইস এবার চূড়ান্ত স্কোয়াডে জায়গা পেয়ে গেছেন। যদিও বাজে ফর্ম এবং মিডল ওভারে স্পিন সামলাতে সক্ষম আরেকজন বাঁহাতি ব্যাটারের প্রয়োজনের কারণে ম্যাথিউ শর্টকে বাদ দেয়া হয়েছে। তার জায়গায় দলে নেয়া হয়েছে ম্যাট রেনশকে।
অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল-
মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, কুপার কনোলি, টিম ডেভিড, বেন ডোয়ারশুইস, ক্যামেরন গ্রিন, নাথান এলিস, জশ হ্যাজেলউড, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, ম্যাথু কুনেমান, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ম্যাট রেনশ, মার্কাস স্টয়নিস ও অ্যাডাম জাম্পা।