মুজিবের আগে আফগানদের হয়ে হ্যাটট্রিক আছে রশিদ খান ও করিম জানাতের। কিংকে ফেরানোর এক বল পর মুজিব আউট করেছেন কুয়েন্টিন স্যাম্পসনকেও। ৫ বলে ৪ উইকেট নিয়ে আফগানিস্তানের জয়ে বড় অবদান রাখেন তিনি। পাশাপাশি ব্যাটিংয়ে কাজটা এগিয়ে দিয়েছেন দুই হাফ সেঞ্চুরিয়ান রাসুলি ও সেদিকউল্লাহ অটল। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩৯ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জিতে নিয়েছে আফগানরা।
দুবাইয়ে রান তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই ফেরেন অ্যালিক আথানাজে। ১২ বলে ৮ রান করে ফিরতে হয়েছে তাকে। আফগান বোলারদের চাপে পাওয়ার প্লেতে সুবিধা করতে পারেনি ক্যারিবীয়রা। ইনিংসের অষ্টম ওভারে লুইসকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন মুজিব। ডানহাতি স্পিনারের বলে লেগ বিফোর উইকেট হয়েছেন ১৭ বলে ১৩ রান করা বাঁহাতি ওপেনার।
পরের বলে দুর্দান্ত ডেলিভারিতে চার্লসকে বোল্ড করেছেন মুজিব। গোল্ডেন ডাক মেরে ফিরতে হয় ডানহাতি ব্যাটারকে। এরপর জুটি গড়ে তোলেন শিমরন হেটমায়ার ও কিং। তাদের দুজনের ব্যাটেই একশ পার করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৬ ছক্কায় মাত্র ১৭ বলে ৪৬ রানের ইনিংস খেলেন হেটমায়ার। বাঁহাতি ব্যাটারকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন ফজলহক ফারুকি।
একটু পর আউট হয়েছেন কিংও। চারটি ছক্কা ও দুইটি চারে ৪১ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলে আউট হয়েছেন ডানহাতি ওপেনার। কিংকে আউট করে হ্যাটট্রিক করেন মুজিব। একই ওভারে সিম্পসনের উইকেটও নিয়েছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৫০ রানে অল আউট হয় সফরকারীরা। আফগানিস্তানের হয়ে ২১ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন মুজিব। এ ছাড়া দুইটি করে উইকেট পেয়েছেন ফারুকি ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪ উইকেটে ১৮৯ রান তোলে আফগানিস্তান। স্বাগতিকদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ বলে ৬৮ রানের ইনিংস খেলেছেন রাসুলি। এ ছাড়া সেদিকউল্লাহ ৫৩, ওমরজাই ১৩ বলে অপরাজিত ২৬ ও ইব্রাহিম জাদরান ২২ রান করেছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ম্যাথু ফোর্ড দুইটি উইকেট নিয়েছেন। একটি করে উইকেট পেয়েছেন রেমন্ড সিমন্ডস ও শামার জোসেফ।