আইপিএলে খেলার কারণে আমার ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গিয়েছিল: পিটারসেন

আইপিএল
কেভিন পিটারসেন
কেভিন পিটারসেন
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
২০০৮ সালে আইপিএলের উদ্বোধনী আসরে চুক্তিবদ্ধ ইংলিশ ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। যদিও ২০০৯ সালে ক্রিকেটারদের মাত্র ৩ সপ্তাহের জন্য আইপিএলে খেলার অনুমতি দিয়েছিল ইসিবি।

সেই বছরই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুতে যোগ দেন কেভিন পিটারসেন। আইপিএলকে অগ্রাধিকার দেয়ার সিদ্ধান্তের কারণে তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গিয়েছিল বলে দাবি করেছেন পিটারসেন। এমনকি তার বিরুদ্ধে ‘উইচ হান্ট’ চালাতে গণমাধ্যমকে ব্যবহার করেছিল ইসিবি। এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন ইংল্যান্ডের এই সাবেক ব্যাটার।

ইউটিউবার রণবীর আল্লাহবাদিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পিটারসেন বলেন, ‘আমি বড় ত্যাগ স্বীকার করেছি। আমি আমার ক্যারিয়ার হারিয়েছি। এ কারণেই সবাই আমার বিরুদ্ধে চলে গিয়েছিল। আমি ৩৩ বছর বয়সে আমার ইংল্যান্ড ক্যারিয়ার শেষ করি, ১০৪টি টেস্ট খেলার পর। আমার ১৫০ থেকে ১৬০টি টেস্ট খেলা উচিত ছিল এবং ১২ হাজার থেকে ১৩ হাজার রান করা উচিত ছিল। সেটাই আমার অর্জন হওয়া উচিত ছিল।’

তাকে চাপে ফেলতে গণমাধ্যমকে ব্যবহার করা হয়েছিল দাবি করে পিটারসেন যোগ করেন, ‘ইসিবি দ্য টেলিগ্রাফকে ব্যবহার করেছিল আমার বিরুদ্ধে যাওয়ার জন্য। আমি এ বিষয়ে খুব গভীরে যেতে চাই না। এটি বেশ আলোচিত ছিল এবং এখন আমি খুব সুখী ও শান্তিপূর্ণ জীবন যাপন করছি।’

পিটারসেন তার টেস্ট ক্যারিয়ার শেষ করেন ৮ হাজার ১৮১ রান নিয়ে, যার মধ্যে ছিল ২৩টি সেঞ্চুরি ও ৩৫টি হাফ সেঞ্চুরি। তখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারে প্রভাব পড়লেও এখন ইংলিশ ক্রিকেটাররা ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে খেলার যে স্বাধীনতা পাচ্ছেন সেখানে ভূমিকা রেখেছে বলেই মনে করেন পিটারসেন।

তিনি বলেন, ‘কয়েক দিন আগে আমি জস বাটলারের সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম, সেও আমাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। আমি যে ত্যাগ স্বীকার করেছি, তার ফল এখন এই ছেলেরা উপভোগ করতে পারছে।’ পিটারসেন আইপিএলে দিল্লি ডেয়ারডেভিলস ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেলেছেন। ২০২৫ সালে তাকে দিল্লি ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে নিয়োগ দেয়। যদিও এই বছর সেই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান পিটারসেন।

আরো পড়ুন: