এবার ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের সমালোচনায় সরব হয়েছেন কিউই পেসার কাইল জেমিসন। তার মতে, এই নিয়মটি খেলোয়াড়দের দক্ষতাই কমিয়ে দেয়। ম্যাচ চলাকালে যে কোনো সময় পাঁচজনের তালিকা থেকে একজন খেলোয়াড় বদলানোর সুযোগ আছে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের নিয়মে। এর ফলে অনেকেই মনে করেন অলরাউন্ডারদের গুরুত্ব কমে গেছে।
একই সুরে কথা বলেছেন জেমিসন। তিনি জানান, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি এর ভক্ত নই। আমার মনে হয়, এটি খেলার অনেকটা দক্ষতা কমিয়ে দেয়। আপনি যদি ৯ বা ১০ নম্বরে ব্যাট করতে পারেন, তাহলে আগে যেরকম ব্যাটিং দক্ষতা দরকার হতো, এখন আর তেমনটা লাগে না।’
২০২৩ সালে চালু হওয়া এই নিয়ম ২০২৭ সাল পর্যন্ত বহাল থাকার কথা রয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এই নিয়মটি প্রচলিত নয় এবং ক্রিকেটে সবসময়ই মনে করা হয় অলরাউন্ডাররা বাড়তি ভারসাম্য এনে দেন বিভিন্ন দলে। এই নিয়মের ফলে অলরাউন্ডাররাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন বলে দাবি জেমিসনের।
জেমিসন বলেন, ‘বিশেষ করে অলরাউন্ডারদের কথা বলতে গেলে, যারা বোলিং ও ব্যাটিং দুটোই পারে এবং দলের ভারসাম্য এনে দেয়, এই নিয়মটি সেই দক্ষতার কিছুটা হলেও কমিয়ে দেয়। বিশ্বের অন্য কোথাও বা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আপনি এই নিয়ম খুব একটা দেখবেন না। নিশ্চয়ই এর পেছনে ভালো কোনো কারণ আছে।’
এবারের দিল্লি ক্যাপিটালসে যোগ দেওয়া জেমিসন এখনো একাদশে জায়গা পাননি। এর ফলে কিছুটা আক্ষেপও রয়েছে তার। তিনি বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবেই আপনি খেলতে চান। এখানে সবাই দলের জয়ে অবদান রাখতে চায়। তবে একই সঙ্গে আপনি জানেন, মাত্র চারজন বিদেশি খেলতে পারে। এক থেকে ২০ জনের বেশি খেলোয়াড়ের মধ্যেই একাদশে থাকার যোগ্যতা রয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে আইপিএলই একজন ক্রিকেটার হিসেবে উন্নতির সেরা জায়গা।’