সবশেষ কয়েক মাস ধরে চোটের সঙ্গে লড়াই করছেন কামিন্স। গত বছরের জুলাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের পর থেকেই মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি। তবে চোট কাটিয়ে অ্যাশেজে ফেরেন অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট অধিনায়ক। যদিও একটির বেশি ম্যাচ খেলতে পারেননি। অ্যাডিলেডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৬ উইকেট নিয়ে জয়ে অবদান রেখেছিলেন কামিন্স।
সেই ম্যাচের পর আবারও ছিটকে পড়েন তিনি। পিঠের চোটের কারণে সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও খেলতে পারেননি কামিন্স। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের পর থেকে মাত্র একটি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। আইপিএলে খেলতে পারবেন কিনা সেটাও নিশ্চয়তা ছিল না। যদিও কদিন আগে কামিন্স নিজেই জানান, টুর্নামেন্টের মাঝামাঝি সময় থেকে পাওয়া যাবে তাকে।
আইপিএলের শুরু থেকেই হায়দরাবাদের সঙ্গে অনুশীলন করছিলেন কামিন্স। তবে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ম্যাচের পর অস্ট্রেলিয়া ফিরে গেছেন তিনি। সেখানে গিয়ে আরেকটি স্ক্যান করাবেন। স্ক্যানের ফলাফল ইতিবাচক এলে ১৭ এপ্রিলে ভারতে ফিরে দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন হায়দরাবাদ অধিনায়ক।
কবে নাগাদ ফিরতে পারবেন সেটা জানাতে গিয়ে কদিন আগে কামিন্স বলেছিলেন, ‘বোলিং শুরু করেছি। এই মুহূর্তে মূলত প্রতি তিন দিনে একদিন বোলিং করছি। পুরোপুরি ফিট হয়ে টুর্নামেন্টের মাঝামাঝি সময়ে মাঠে নামার একটি পরিকল্পনা আমরা তৈরি করেছি। যদি কোনো সমস্যা না হয়, আশা করি টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ভাগ ও চূড়ান্ত পর্বে খেলতে পারব।’
কামিন্স না থাকায় আইপিএলের চলতি আসরে হায়দরাবাদকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইশান কিশান। বাঁহাতি উইকেটকিপার ব্যাটারের নেতৃত্বে প্রথম ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে হেরেছে হায়দরাবাদ। যদিও পরের ম্যাচে কলকাতাকে হারিয়েছে তারা। কামিন্স ফিরলে তিনিই অধিনায়ক হিসেবে বাকি টুর্নামেন্ট খেলবেন।