কলকাতা নাইট রাইডার্স—
হার্শিত রানা— হাঁটুর চোটের কারণে সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে পারেননি হার্শিত। অস্ত্রোপচারের কারণে সেরে উঠতে পারেননি এখনো। আইপিএলের আগামী আসরে খেলতে পারবেন কিনা সেটা এখনো নিশ্চিত নয়। সেরে উঠলেও টুর্নামেন্টের শেষের দিকে কয়েক ম্যাচে দেখলেও দেখা যেতে পারে।
মাথিশা পাথিরানা— টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বোলিং করার সময় পায়ে চোট পেয়েছিলেন পাথিরানা। পরবর্তীতে বিশ্বকাপের বাকি অংশে খেলা হয়নি শ্রীলঙ্কান পেসারের। গুঞ্জন ছিল আইপিএল খেলার অনুমতি নাও পেতে পারেন তিনি। যদিও অভিষেক নায়ার নিশ্চিত করেছেন, ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পেলে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে যোগ দিতে পারেন কলকাতার সঙ্গে।
আকাশ দীপ—টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক কয়েক দিন আগে আইপিএল থেকে ছিটকে গেলেন আকাশ। পিঠের চোট থেকে সেরে উঠতে না পারায় কলকাতার হয়ে আইপিএল খেলা হচ্ছে না ডানহাতি এই পেসারের।
সানরাইজার্স হায়দরাবাদ—
প্যাট কামিন্স— চোটের কারণে সবশেষ অ্যাশেজের সবগুলো ম্যাচে খেলতে পারেননি কামিন্স। পরবর্তীতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও খেলা হয়নি অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট অধিনায়কের। এখনো চোট থেকে সেরে উঠতে না পারায় আইপিএলের প্রায় অর্ধেক সময় মিস করবেন কামিন্স। টুর্নামেন্টের মাঝামাঝি সময়ে ফিরতে পারেন হায়দরাবাদের অধিনায়ক।
জ্যাক এডওয়ার্ডস— পায়ের চোটে আইপিএল থেকে ছিটকে গেছেন অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার এডওয়ার্ডস।
রাজস্থান রয়্যালস—
স্যাম কারান— আইপিএলের নিলামের আগে ট্রেডে চেন্নাই সুপার কিংস থেকে রাজস্থানে যোগ দিয়েছেন কারান। তবে কুঁচকির চোটে ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের পুরো মৌসুম থেকে ছিটকে গেছেন ইংলিশ অলরাউন্ডার।
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু—
জশ হ্যাজেলউড— সবশেষ কয়েক মাস ধরে চোটের সঙ্গে লড়াই করছেন হ্যাজেলউড। চোটের কারণে পুরো অ্যাশেজে খেলতে পারেননি ডানহাতি এই পেসার। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে খেলা হয়নি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও। তবে আইপিএল দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরবেন তিনি। যদিও বেঙ্গালুরুর অন্তত প্রথম দুইটি ম্যাচ মিস করতে পারেন হ্যাজেলউড।
চেন্নাই সুপার কিংস—
নাথান এলিস— আগে থেকেই হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে সঙ্গে লড়াই করছিলেন এলিস। বিগ ব্যাশে হোবার্ট হারিকেন্সের হয়ে শেষের দিকে ম্যাচও মিস করেছেন। পরবর্তীতে বিশ্বকাপ খেললেও আইপিএল খেলা হচ্ছে না তার। অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে কাপ ফাইনালে পুরনো হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়েছেন। যার ফলে আইপিএল থেকে ছিটকে গেছেন অস্ট্রেলিয়ান পেসার।
দিল্লি ক্যাপিটালস—
মিচেল স্টার্ক— বিগ ব্যাশের পর থেকেই অবসর সময় পার করছেন স্টার্ক। চলতি বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ত সময় পার করতে হবে অস্ট্রেলিয়াকে। যার ফলে বাঁহাতি পেসারের ওয়ার্কলোড পর্যবেক্ষণ করবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। তবে টুর্নামেন্টের কোনো এক পর্যায়ে দিল্লির সঙ্গে যোগ দেবেন স্টার্ক।
পাঞ্জাব কিংস—
লকি ফার্গুসন— আন্তর্জাতিক সিরিজের পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও খেলেছেন ফার্গুসন। বিশ্বকাপ চলাকালীন ছুটিও নিয়েছিলেন তিনি। ফিট থাকলেও আইপিএলের শুরুতে যোগ দিচ্ছেন না নিউজিল্যান্ডের পেসার। পরিবারের সময় কাটিয়ে পরবর্তীতে আইপিএলে পাঞ্জাবের সঙ্গে যোগ দেবেন ফার্গুসন।