আগে থেকেই ছয় ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমান, পারভেজ হোসেন ইমন, শরিফুল ইসলাম, নাহিদ রানা, তানজিদ হাসান তামিম এবং রিশাদ হোসেন- ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক এই আসরে খেলার জন্য অনাপত্তিপত্র পেয়েছিলেন। মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে মে মাসের শুরু পর্যন্ত নির্ধারিত এই আসরে তাদের অংশগ্রহণের কথা ছিল।
তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সরাসরি ছাড়পত্র না দিয়ে সরকারের মতামত নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড। বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম ক্রিকবাজকে বলেন, 'অবশ্যই আমরা ক্রিকেটারদের পাঠানোর আগে সরকারের অনুমতি নেব।'
'স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে এসব লাগে না। আমরা অনুমতি দিই, তারা যায়, খেলে ফিরে আসে। কিন্তু এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয় এবং ঝুঁকির বিষয় রয়েছে, তাই আমরা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করব। সরকারের কাছ থেকে জানতে চাইব ভ্রমণ নিরাপদ কি না। সেই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে ক্রিকেটাররা যাবে কি না।'
সরকারের অনুমতি পেলে এই ক্রিকেটারদের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন সীমিত ওভারের সিরিজের প্রস্তুতি ক্যাম্প মিস করার সম্ভাবনা রয়েছে। সিরিজটি এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি শুরু হওয়ার কথা, যেখানে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি- দুই ধরনের ম্যাচই রয়েছে।
ফাহিম আরো বলেন, 'সেখানে পরিস্থিতি বোঝা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। সরকারই ভালোভাবে জানবে। সরকার যদি জানায় যাওয়া নিরাপদ, তাহলে ক্রিকেটাররা যাবে। নীতিগতভাবে আমরা তাদের অনাপত্তিপত্র দিয়েছি, তবে সবকিছু নির্ভর করবে তখনকার পরিস্থিতির ওপর।'
এই অবস্থায় একদিনের সিরিজের কথা মাথায় রেখে আংশিক অনাপত্তিপত্র দিয়েছে বোর্ড। কারণ, আগামী বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জনের লড়াইয়ে এখনো টিকে আছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর র্যাঙ্কিংয়ে নবম স্থানে উঠেছে দলটি।