নিলামের জন্য রিটেনশন নীতিসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে সেখানে। এর মধ্যে পিএসএল নতুন এক যুগে পা রাখতে যাচ্ছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো নিলাম পদ্ধতি লক্ষ্য হলো পিএসএলকে আরও প্রতিযোগিতামূলক, স্বচ্ছ এবং আধুনিক ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ হিসেবে গড়ে তোলা।
নতুন নীতিমালায় দল গঠনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু মৌলিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি সর্বোচ্চ চারজন খেলোয়াড় ধরে রাখতে পারবে। তবে শর্ত হলো, প্রতিটি ক্যাটাগরি থেকে একজনের বেশি খেলোয়াড় রাখা যাবে না। এতে করে রিটেনশন প্রক্রিয়ায় ভারসাম্য বজায় থাকবে এবং নিলামে পর্যাপ্ত মানসম্পন্ন খেলোয়াড়ের উপস্থিতি নিশ্চিত হবে।
নতুন যুক্ত হওয়া ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর জন্যও বিশেষ সুযোগ রাখা হয়েছে। তারা নিলামের আগে বিদ্যমান খেলোয়াড় পুল থেকে চারজন খেলোয়াড় বেছে নিয়ে ধরে রাখতে পারবে। ফলে নতুন দলগুলো শুরু থেকেই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার মতো একটি কার্যকর লাইনআপ তৈরি করতে পারবে।
এবারের আসরে মেন্টর, ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর এবং রাইট টু ম্যাচ সংক্রান্ত সব ধরনের বিধি বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে আগের মৌসুমগুলোর মতো অতিরিক্ত সুবিধা আর কোনো দলের জন্য থাকছে না এবং নিলাম পদ্ধতিই দল গঠনের মূল মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
এ ছাড়া প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে একজন বিদেশি খেলোয়াড় সরাসরি দলে ভেড়ানোর সুযোগ দেয়া হবে, যিনি পিএসএল দশম আসরে অংশ নেননি। এতে করে নতুন মুখ ও ভিন্ন মানের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক কাঠামোতেও বড় পরিবর্তন এসেছে। প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য খেলোয়াড় বেতনসীমা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ লাখ মার্কিন ডলার।