মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে সিঙ্গেল নিয়ে চট্টগ্রামকে সেরা দুইয়ে রাখেন তানভির ইসলাম। কোয়ালিফায়ারে তাদের প্রতিপক্ষ রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এলিমিনেটরে রংপুর রাইডার্স খেলবে সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে। এদিকে প্রথম কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত করলে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে জিততে পারেনি চট্টগ্রাম। সাইফ হাসানের দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরির পর তাসকিন ও সাইফউদ্দিনের বোলিংয়ে ৪২রানের জয় পেয়েছে ঢাকা। ১০ ম্যাচের তিনটিতে জিতে মাত্র ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিপিএল শেষ করলেন মোহাম্মদ মিঠুনরা।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য ১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ইনিংসের প্রথম বলেই ফিরেছেন হারিস। পেসার তাসকিনের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হয়েছেন পাকিস্তানের ওপেনার। দ্বিতীয় ওভারে আউট হয়েছেন জয়ও। বাঁহাতি স্পিনার ইমাদ ওয়াসিমের বলে লেগ বিফোর উইকেট হয়েছেন ৭ বলে ৬ রান করে। তৃতীয় ওভারে ফিরেছেন সাদমানও। তাসকিনের বলে উসমান খানের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন রানের খাতা খোলার আগেই।
বাকিদের আসা-যাওয়ার মাঝে একপ্রান্ত আগলে রাখার চেষ্টা করেন নাইম। যদিও ২১ বলে ১৮ রান করে বাঁহাতি ওপেনারকে ফিরতে হয় রান আউট হয়ে। চট্টগ্রামের রান পঞ্চাশ ছোঁয়ার আগে ফিরেছেন নাওয়াজও। তোফায়েল আহমেদের বলে তাসকিনের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন। দারুণ ছন্দে থাকলেও ঢাকার বিপক্ষে জ্বলে উঠতে পারেননি শেখ মেহেদী। ১২ বলে মাত্র ৩ রান করে আউট হয়েছেন চট্টগ্রামের অধিনায়ক।
আসিফ আলী ফিরে যান দ্রুতই। সাইফউদ্দিনের বলে স্কয়ার লেগ দিয়ে ছক্কা মারার চেষ্টায় উসমানকে ক্যাচ দিয়েছেন। ১৮ বলে ১২ রান করেছেন পাকিস্তানি ব্যাটার। শেষের দিকে আমের জামালের ৪৪ ও শরিফুল ইসলামের অপরাজিত ১৪ রানে ব্যবধান কমায় চট্টগ্রাম। ঢাকার হয়ে চারটি উইকেট নিয়েছেন সাইফউদ্দিন। তিনটি উইকেট পেয়েছেন তাসকিন। ইমাদ ও তোফায়েলের শিকার একটি করে উইকেট।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে রানের দেখা পেয়েছেন সাইফ। ঢাকার হয়ে ৮ ম্যাচ মাত্র ৬০ রান করেছিলেন ডানহাতি ব্যাটার। তবে চট্টগ্রামের বিপক্ষে পাঁচটি করে ছক্কা ও চারে খেলেছেন ৪৪ বলে ৭৩ রানের ইনিংস। এ ছাড়া ঢাকার হয়ে জুবাইদ আকবরি ২৯, উসমান ১৬ ও মিঠুন করেছেন ১৫ রান। চট্টগ্রামের হয়ে ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে তিনটি উইকেট নিয়েছেন তানভির। দুইটি করে উইকেট পেয়েছেন শরিফুল ও আমের।