এর আগে ছয়টি টি–টোয়েন্টিতে তাঁরা ছিলেন প্রতিপক্ষ দলে, আর এবারই প্রথমবার একই দলের হয়ে খেললেন। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ৪১ রানের জয়ের ম্যাচে দুজনেই রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
চতুর্থ উইকেটে ৩০ বলে ৫৩ রানের জুটিতে ম্যাচের ভিত গড়ে দেন বাবা–ছেলে। ম্যাচ শেষে নবি বলেন, 'একই দলে ছেলের সঙ্গে খেলাটা আলাদা অনুভূতির। ও দায়িত্ব নিয়ে খেলেছে, সেটাই সবচেয়ে ভালো লাগার।'
ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের দিক থেকে ম্যাচটি আরও বিশেষ হতে পারত হাসানের জন্য। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র আট রান দূরে দাঁড়িয়ে আউট হন তিনি। নবি জানান, 'আমি ওকে বলেছিলাম, ১২ বল আছে, মাত্র ৮ রান দরকার। মাটিতে খেলতে বলেছিলাম, ঝুঁকি নিতে মানা করেছিলাম।'
কিন্তু সেই পরামর্শ কাজে লাগেনি। সাইফউদ্দিনের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন হাসান। সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়ে হাসান বলেন, 'আমি তখন ছক্কার কথাই ভাবছিলাম। বড় স্কোর দাঁড় করাতে চেয়েছিলাম। সেঞ্চুরি মিস করার জন্য খুব বেশি আফসোস নেই।'
সেঞ্চুরি না পেলেও বিপিএলের প্রথম ম্যাচেই নিজের ক্যারিয়ার-সেরা ইনিংস খেলেছেন হাসান। আগের ৩১ টি-টোয়েন্টিতে তাঁর সর্বোচ্চ ছিল ৭২ রান। সে তুলনায় এই ইনিংস আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে। নবি বলেন, 'এত বড় মঞ্চে নামলে তরুণদের ওপর চাপ থাকেই। ও সেটা ভালোভাবে সামলেছে। বাংলাদেশের উইকেটে পারফর্ম করা সহজ নয়, এই ম্যাচটার জন্যই ও গত ২০ দিন ধরে প্রস্তুতি নিয়েছে।'