নাঈম ১৭৬*, সাব্বির ৮৬
বরিশালকে ২২৯ রানে থামিয়ে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রাজশাহী। ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারেই ফেরেন সাব্বির হোসেন। তবে দ্বিতীয় উইকেটে হাবিবুর রহমান সোহান ও নাঈম আহমেদ প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তারা দুজনে মিলে যোগ করেন ৬৫ রান। ভালো শুরু পাওয়া সোহান ফেরেন ৬২ বলে ৩৯ রান করে। ডানহাতি ওপেনারের উইকেট নিয়েছেন মইন খান।
সোহানের মতো ভালো শুরু পেয়েছিলেন প্রিতম কুমারও। তবে ইনিংসটা বড় করতে পারেননি বরিশালের অধিনায়ক। ৩২ বলে ২৬ রান করে অভি আহমেদ নোবেলের বলে আউট হয়েছেন প্রিতম। ১২৪ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর জুটি গড়েন সাব্বির ও নাঈম। তাদের দুজনের ব্যাটে প্রথম ইনিংসে লিডও পায় রাজশাহী। ৫৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি করা নাঈম সেঞ্চুরি করেছেন ১৫১ বলে।
সেঞ্চুরির সুযোগ ছিল সাব্বিরেরও। তবে তিন অঙ্ক ছোঁয়া হয়নি ডানহাতি ব্যাটারের। ১৩ চার ও এক ছক্কায় ১১৮ বলে ৮৬ রানের ইনিংস খেলে সাব্বির ফিরেছেন নোবেলের বলে। সাব্বিরের বিদায়ে ভাঙে নাঈমের সঙ্গে ১৫২ রানের জুটি। শেষ বিকেলে ২৩ রান করে আউট হয়েছেন শাখির হোসেন শুভ্র। দিনের বাকিটা সময় অনায়াসে কাটিয়েছে দিয়েছেন নাঈম ও এসএম মেহেরব হোসেন।
দুজনে মিলে অবিচ্ছিন্ন ১০৪ রানের জুটি গড়েছেন। ২১১ বলে দেড়শ ছুঁয়েছেন নাঈম। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করে নাঈম অপরাজিত ছিলেন ২৩৩ বলে ১৭৬ রানের ইনিংস খেলে। ইনিংসটি খেলতে ২৫টি চার মেরেছেন তিনি। নাঈমকে সঙ্গ দেওয়া মেহেরব ৬৮ বলে ৫৭ রান করে অপরাজিত আছেন। দ্বিতীয় দিন শেষে রাজশাহীর পুঁজি ৫ উইকেটে ৪২৪ রান। বরিশালের চেয়ে ১৯৫ রানে এগিয়ে রয়েছে রাজশাহী।
আকবরের সেঞ্চুরি মিস, সিলেটের লিড
চট্টগ্রামে এক উইকেটে ৩২ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন সকালে ব্যাটিংয়ে নামেন রংপুরের মিম মোসাদ্দেক ও ইকবাল হোসেন। তাদের দুজনের ৬৩ রানের জুটি ভাঙে প্রথম সেশনের একদম শেষের দিকে। ৬৬ বলে ২৩ রান করেছেন ইকবাল। চারে নেমে সুবিধা করতে পারেননি আব্দুল্লাহ আল মামুন। ১৪ বলে ১ রানের বেশি করতে পারেননি। ১০৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি করা মিম থেমেছেন ৫৯ রানের ইনিংস খেলে।
ইনিংসের বাকিটা সময় রংপুরকে একাই টেনেছেন আকবর। সেঞ্চুরির সুযোগ থাকলেও রংপুরের অধিনায়ক আউট হয়েছেন ৭৪ রানে। শেষের দিকে আবু হাশিম ২৩ রান করলে ২০৬ রানে অল আউট হয় তারা। রংপুরের চেয়ে ২৭ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাটিংয়ে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে বিনা উইকেটে ৩৪ রান তুলেছে সিলেট। ফলে ৭ রানের লিড পেয়েছে সিলেট।