বিশাল লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। প্রথম ওভারেই ওয়াইন পার্নেলের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন জহুরুল ইসলাম। ২ বল পরেই ফিরে যান আরেক ওপেনার রনি তালুকদারও। তৃতীয় ওভারে ফজলে মাহমুদও ২ রান করে বোল্ড হলে ৯ রানে ৩ উইকেটের দলে পরিণত হয় বাংলাদেশ।
উইকেট যাবার মিছিল এখানেই থামেনি। হার্ডুস ভিলজোয়েনের বলে বোল্ড হন ১১ রান করা ইমরুল কায়েসও। খানিক বাদে ফেরেন নাসির হোসেনও (৬)। ২৯ রানেই ব্যাটিং লাইনআপের অর্ধেক ব্যাটারকে হারিয়ে হার তখন প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে বাংলাদেশের।
এরপর আরাফাত সানিকে সাথে নিয়ে কিছুটা ইনিংস মেরামতের চেষ্টা চালান অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। ষষ্ঠ উইকেটে ৫৪ রানের জুটি গড়েন তারা। ২৬ বলে সমান ২ টি করে ছক্কা ও চারে ৩৭ রান করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। শন ভন বার্গের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। সানি খেলেন ৩১ রানের ইনিংস।
এই দুইজন আউট হবার পর আর খুব বেশি রান যোগ করতে পারেননি বাকি ব্যাটাররা। শেষ পর্যন্ত ১৮ ওভার ৫ বলে ১২২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ৮৮ রানের বড় হার দিয়ে এবারের ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অফ লিজেন্ডস এর যাত্রা শেষ করল মাহমুদউল্লাহ-নাসিররা।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে দারুণ সূচনা পায় সাউথ আফ্রিকা। উদ্বোধনী জুটিতে ৪২ রান তোলেন দুই ওপেনার ফাফ ডু প্লেসি ও ওয়াইন পার্নেল। ডু প্লেসিকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন পেসার কামরুল ইসলাম। ১৪ বলে ১৮ রান করেন এই ওপেনার। পরের ওভারে ১৩ বলে ২২ রান করা পার্নেলকে ফেরান আবু জায়েদ রাহি।
এরপরই বাংলাদেশ বোলারদের ওপর ঝড় চালানো শুরু করেন ডুমিনি। তৃতীয় উইকেটে মর্নে ভ্যান উইককে সাথে নিয়ে ৩৮ বলে ৬২ রানের জুটি গড়েন ডুমিনি। এর মাঝেই অর্ধশতক তুলে নেন এই ব্যাটার। ৩০ রান করা ভ্যান উইককে রুবেল হোসেন ফেরানোর পর কলিন ইনগ্রামের সাথে আরেকটি বিধ্বংসী জুটি গড়েন ডুমিনি।
চতুর্থ উইকেয়ে ৪৯ বলে ১০২ রান যোগ করেন এই দুই ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ৪৯ বলে ৫ ছক্কা ও ৭ চারে ৮৯ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন ডুমিনি। অন্যদিকে ২৫ বলে ২ ছক্কা ও ৩ চারে ৪০ রান করে অপরাজিত ছিলেন ইনগ্রামও। বাংলাদেশের হয়ে রাহি, কামরুল ও রুবেল একটি করে উইকেট নেন।