আপাতত আফগানিস্তানের সঙ্গে এক ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ, যা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অন্তর্ভুক্ত নয়। এই ফরম্যাটে এরপর সাউথ আফ্রিকায় দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে টাইগাররা।
এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে দুই ম্যাচের করে দুটি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। এই সাত টেস্ট ম্যাচের অন্তত পাঁচটিতে জিতলে ইতিহাস রচনা করা সম্ভব বাংলাদেশ দলের।
ইতিহাস গড়া যেতে পারে চার, এমনকি তিন ম্যাচ জিতলেও, সেক্ষেত্রে অন্য দলগুলোর পারফরম্যান্সেও নজর থাকতে হবে টাইগারদের। এমন সময়ে দলের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের বীজ ছড়িয়ে দিচ্ছেন মুশতাক।
তিনি বলেন, 'ইনশাআল্লাহ, (টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল) কেন নয়? আমরা এখন একটি দুর্দান্ত অবস্থানে আছি। আমরা যদি ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি এবং বিশ্বাস বজায় রাখতে পারি, ভালো ক্রিকেট খেলা চালিয়ে যেতে পারি, ইনশাআল্লাহ পুরো পথ পার হওয়ার সঠিক সময় আমাদের কাছে আছে।'
১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জিতে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে বাংলাদেশ। সেটিই ছিল তখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ক্রিকেটের সেরা মুহূর্ত। এরপরেও ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়াকে ওয়ানডে হারানো, ২০০৭ বিশ্বকাপে ভারত ও ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারানো কিংবা ২০২২ সালে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে নিউজিল্যান্ডকে টেস্টে হারানোর মতো অবিস্মরণীয় মুহুর্ত এসেছে বাংলাদেশের ক্রিকেটে।
কিন্তু ১৯৭৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখা বাংলাদেশের ক্রিকেটের আগের সব সাফল্যকে ছাপিয়ে গেছে ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো। দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে স্মরণীয় জয়ের পর প্রথমবারের মতো টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের স্বপ্নও দেখছে টাইগাররা।
আপাতত টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ছয় ম্যাচে তিন জয় নিয়ে নিজেদের অবস্থান আরো সুসংহত করেছে বাংলাদেশ। দলটি আছে চার নম্বরে। এই তালিকায় বাংলাদেশ উপরে আছে অস্ট্রেলিয়া, সাউথ আফ্রিকা এবং নিউজিল্যান্ড।