জাপানে গিয়ে অবশ্য প্রস্তুতি নিতে পারেনি বাংলাদেশ দল। এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট ডিসিপ্লিনে সেভাবে প্রস্তুতি নেয়ার সুযোগও ছিল না। এর মধ্যে বাগড়া দেয় বৃষ্টি। টানা বর্ষণের কারণে মালয়েশিয়ার বিপক্ষেও খেলতে পারেনি বাংলাদেশ।
র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থেকে সেমিফাইনালে পৌঁছায় টাইগাররা। সেখানে পাকিস্তানের কাছে পাত্তাই পায়নি লিটনরা। বৃষ্টি বাধা দেয়ার ম্যাচে আগে ব্যাটিং করে ১৩ ওভারে ১১১ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে ৯ বল বাকি থাকতে ছয় উইকেটে জিতে পাকিস্তান।
সেই ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ দলের কোচ-অধিনায়করা ম্যাচ হারের কারণ হিসেবে একটানা ম্যাচ না খেলাকেই দায়ী করেছিলেন। এটাই পছন্দ হয়নি সুজনের। বিসিবির গেম ডেভলপমেন্টের অনূর্ধ্ব-১৫ দলের পরামর্শকের মতে, জাপানের উইকেটে এই ধরনের 'অজুহাত' প্রত্যাশিত নয়।
সুজন বলেন, 'আমি মনে করি এটা পুরোটাই অজুহাত। আমার মনে হয় যে আমাদের... আমরা ভালো খেলিনি, এটা স্বীকার করে নিতে হবে- আমরা ভালো খেলিনি। মানে 'আমি ম্যাচ খেলি নাই বলে পারিনি' বা 'ম্যাচে ছিলাম না বলে পারিনি'- এটা আমার মনে হয় না যুক্তিসঙ্গত কোনো কথা।'
'আমরা নিউজিল্যান্ড বা ইংল্যান্ডের ঠান্ডা পরিস্থিতিতে খেলছি না, কিংবা অস্ট্রেলিয়ার বাউন্সি উইকেটে। এ রকম তো কিছু ছিল না। আমাদের দেশের মতোই একই ধরনের উইকেট ছিল বলে আমার মনে হয়।'
সোনার লড়াই থেকে ছিটকে পড়া বাংলাদেশ পরে ব্রোঞ্জের লড়াইয়েও হারে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দলটির হার ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে। আগে ব্যাটিং করে শ্রীলঙ্কা ১৬৫ রান করে, জবাবে বাংলাদেশ তোলে ১০২ রান। এই হারেও বাজেভাবে সমালোচিত হন লিটনরা।