চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন আদিল রশিদ ও স্যাম কারান। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সাম্প্রতিক ওয়ানডে সিরিজে হাতের চোটের কারণে খেলতে পারেননি রশিদ। কারানও ছিলেন চোটের বাইরে। দুজনের ফেরায় পাকিস্তান সফরে ইংল্যান্ডের বোলিং ও অলরাউন্ডার বিভাগে অভিজ্ঞতা বাড়বে।
এই দলে সবচেয়ে বড় চমক ম্যাসন ক্রেন। প্রায় আট বছর পর ইংল্যান্ডের জাতীয় দলে ফিরেছেন গ্ল্যামারগনের এই লেগ স্পিনার। সর্বশেষ ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিডনি টেস্টে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলেছিলেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ থাকলেও এখনো ওয়ানডেতে অভিষেক হয়নি। চলতি মৌসুমে গ্ল্যামারগনের হয়ে দুই ফরম্যাটেই ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পর আবারও জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন ক্রেন।
ইংল্যান্ডের জাতীয় নির্বাচক মার্কাস নর্থ ক্রেনের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে বলেন, 'পুরো গ্রীষ্মজুড়ে গ্ল্যামারগনের হয়ে দুই ফরম্যাটেই ধারাবাহিক ছিল ম্যাসন ক্রেন। সে অভিজ্ঞ ও মানসম্পন্ন একজন লেগ স্পিনার। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরেকটি সুযোগ পাওয়ার জন্য সে যথেষ্ট ভালো করেছে। '
আর্চারের বিশ্রাম নিয়েও তিনি বলেন, 'আদিল রশিদ ও স্যাম কারান চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছে। আর ব্যস্ত গ্রীষ্মের পর কাজের চাপ সামলাতে জোফরা আর্চারকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে।'
পাকিস্তানের কন্ডিশনে নিজেদের পরীক্ষা করাই এই সিরিজে ইংল্যান্ডের অন্যতম লক্ষ্য। পাকিস্তান, ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে হবে তিন দলের এই ওয়ানডে সিরিজ। রাওয়ালপিন্ডি ও লাহোরে হবে ম্যাচগুলো। তিন দলই একে অন্যের বিপক্ষে দুবার করে খেলবে, এরপর পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই দল ৩১ অক্টোবর লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হবে।
ইংল্যান্ডের স্কোয়াড: হ্যারি ব্রুক (অধিনায়ক), গাস অ্যাটকিনসন, সনি বেকার, টম ব্যান্টন, জেমস কোলস, জর্ডান কক্স, ম্যাসন ক্রেন, হেনরি ক্রোকোম্ব, স্যাম কারান, লিয়াম ডসন, বেন ডাকেট, উইল জ্যাকস, জেমি ওভারটন, আদিল রশিদ, জো রুট ও জশ টাং।