২০২৫ সালের এপ্রিলে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের (এসএলসি) সাবেক প্রধান শামী ডি সিলভার জায়গায় এসিসির সভাপতির দায়িত্ব নেন নাকভি। সংস্থাটির নিয়ম অনুযায়ী, দুই বছর পর পর সভাপতি পরিবর্তন হয়। ২০২৭ সালের এপ্রিলে নাকভির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। আবারও এসিসির সভাপতি হিসেবে থাকতে হলে নির্বাহী বোর্ডের প্রায় সবার সম্মতি প্রয়োজন হয়।
মহাদেশীয় সংস্থাটির নির্বাহী বোর্ডের সদস্য হিসেবে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। ক্রিকবাজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরবর্তী সভাপতি হিসেবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যানের ভোট পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ধারণা করা হচ্ছে, চার না হলেও অন্তত তিনটি দেশের ক্রিকেট বোর্ড নাকভির বিরোধিতা করতে পারে।
আগামী বছরের শেষ দিকে এসিসির সাধারণ বার্ষিক সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। নাকভি হয়ত এজিএম পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানোর জন্য যুক্তি দেখাতে পারেন। ক্রিকবাজের সঙ্গে আলাপকালে এসিসির সদস্যরা নিশ্চিত করেছেন, সভাপতি নির্বাচনের সঙ্গে এজিএমের কোনো সম্পর্ক। সভাপতির মেয়াদ সাধারণত দুই বছরের হয় (মার্চ থেকে মার্চ)। এসিসির সভাপতির দায়িত্ব প্রতি দুই বছর পর পর পূর্ণ সদস্যের পাঁচ দেশের মধ্যে আবর্তিত হয়।
নিয়ম অনুযায়ী, পরবর্তী সভাপতি হওয়ার সুযোগ বাংলাদেশের প্রতিনিধি। বর্তমানে এসিসিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে আছেন তামিম। সেই হিসেবে বিসিবি সভাপতিই দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন এসিসির। জানা গেছে, তামিম নিজেও এসিসির দায়িত্ব নিতে আগ্রহী। এমনকি মহাদেশীয় সংস্থাকে নিজের ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক ওপেনার।
নাকভির ইস্যুতে এসিসির একজন সদস্য বলেন, ‘নানান ধরনের জল্পনা-কল্পনা থাকতে পারে তবে নাকভির মেয়াদ ২০২৭ সালের এপ্রিলে শেষ হচ্ছে। এরপর দায়িত্ব নেওয়ার তালিকায় বাংলাদেশের নাম রয়েছে। এসিসি সদস্যের মধ্যে এমন ধারণাও আছে তামিম দায়িত্ব গ্রহণের অপেক্ষায় আছেন। নাকভি হয়ত যুক্তি দেখাতে পারেন গত বছরের আগষ্টে এজিএম হলেও তখন এসিসির অন্যান্য পদের নির্বাচন হয়নি। বরং নির্বাচনটি হয়েছে এই বছরের আগষ্টে। কিন্তু এসিসির সভাপতির মেয়াদের সঙ্গে এজিএমের কোনো সম্পর্ক নেই।’
এসিসিতে মেয়াদ বাড়ানোর ঘটনা নতুন কিছু নয়। ২০২৪ সালে তৃতীয় বছরের মতো এসিসির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন জয় শাহ। যদিও ভারতের প্রতিনিধিকে হিসেবে সভাপতি হিসেবে রাখতে সদস্য দেশগুলোও সম্মতি দিয়েছিল। পাশাপাশি এসিসির সভাপতি হওয়ার দৌড়ে ছিল শ্রীলঙ্কা। দেশটির ক্রিকেট বোর্ডও জয় শাহকে নিজেদের সুযোগ ছেড়ে দিয়েছিল।