যদিও ওয়ানডের নেতৃত্ব তিনি চালিয়ে যাবেন বলে জানা গেছে সেই প্রতিবেদনে। এশিয়ান গেমসের আগেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন জ্যোতি।
এরপর মঙ্গলবার জাপান থেকে চিঠির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বোর্ডকে বিষয়টি জানিয়েছেন তিনি। ২০২২ সালে টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর থেকে দুই ফরম্যাটেই অধিনায়কের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তিনি।
টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে জ্যোতির সবচেয়ে বড় সাফল্য ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে এক দশক পর বিশ্বকাপে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচসহ পুরো টুর্নামেন্টে ব্যাট ও গ্লাভস হাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন অধিনায়ক জ্যোতি।
চার ইনিংসে ১০৪ রান করার পাশাপাশি উইকেটের পেছনে নিয়েছিলেন সাতটি ডিসমিসাল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তার অধীনে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স নানা উত্থান পতনের মধ্যে দিয়ে গেছে। ২০২৬ সালের শুরুতে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ।
এরপর ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার কাছে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হার, স্কটল্যান্ড-নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ত্রিদেশীয় সিরিজে মিশ্র ফল এবং বিশ্বকাপে পাঁচ ম্যাচে মাত্র দুটি জয় নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে তার নেতৃত্ব। এ কারণেই তিনি নেতৃত্ব নিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি।