আগের দিনই ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছিলেন হৃদয়। তার সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে ১৫১ রানের জুটি গড়েছিলেন জাকের আলী অনিক। ১৬৮ বলে ৯৪ রান করে জাকের ফিরে যাওয়ার পর হৃদয় ষষ্ঠ উইকেটে মোহাম্মদ সাইফউদ্দীনের সঙ্গে গড়েন আরও বড় জুটি। দুজন মিলে যোগ করেন ১৮৫ রান। সাইফউদ্দীন ১৭১ বলে করেন ৮৭ রান।
এই দুই জুটির ওপর ভর করেই প্রোটিয়াদের বড় সংগ্রহের জবাব দেওয়ার সুযোগ পায় বাংলাদেশ ‘এ’ দল। আর এর মধ্যেই ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন হৃদয়। চতুর্থ দিনে নেমে একাই বাংলাদেশের ইনিংস টেনে নিয়ে যান হৃদয়। এরই মধ্যে দলকে লিড এনে দিয়েছেন তিনি। তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি নাঈম হাসান।
দিনের শুরুতে ১৬ রান করে ফিরে যান এই ব্যাটসম্যান। এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি হাসান মুরাদও। ১১ রান করে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে ব্যাটিং করে যাওয়া হৃদয় তুলে নিয়েছেন ট্রিপল সেঞ্চুরি। ৪৫০ বলে এই ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছান তিনি। তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে প্রথম শ্রেনির ক্রিকেটে ট্রিপল সেঞ্চুরির গৌরব অর্জন করেছেন তিনি।
প্রোটিয়া পেসার বোস্টের বল মিড অনে ফেলে দ্রুত দৌড়ে দুই রান নিয়ে ট্রিপল সেঞ্চুরি পূর্ণ হয় তার। হৃদয়ের আগে ট্রিপল সেঞ্চুরি করা দুই বাংলাদেশি ছিলেন রকিবুল হাসান ও তামিম ইকবাল। হৃদয় ৩৩৩ রানে অপরাজিত থেকে চার বিরতিতে যান। বাংলাদেশ 'এ' দলের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৬৫৮।
২০২০ সালে মিরপুর শের ই বাংলা স্টেডিয়ামে ইস্ট জোনের হয়ে সেন্ট্রাল জোনের বিপক্ষে ৩৩৪ রানের এই অপরাজিত ইনিংস ইনিংস খেলেছিলেন তামিম। হৃদয় এবার তামিমের সেই ঐতিহাসিক রেকর্ডকেই পেছনে ফেলে দিয়েছেন। নবম উইকেটে তাকে দারুণ সঙ্গ দিচ্ছেন রেজাউর রহমান রাজা।
এর আগে জোড়া সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় সাউথ আফ্রিকা ‘এ’ দল। লেসগো সেনেকওয়ানে ১১১, সিনেথেম্বা কেশিলে ১২৮ এবং গাভিন কাপলান ৯৭ রান করেন। তাঁদের ব্যাটে ভর করেই ৫১২ রানের বড় সংগ্রহ পায় প্রোটিয়ারা। বল হাতে বাংলাদেশের হয়ে নাঈম হাসান ৪টি, হাসান মুরাদ ৩টি ও রেজাউর রহমান রাজা ২টি উইকেট নেন।