লিডসে প্রথম টেস্টে ম্যাচে আট উইকেট নেওয়ার পর লর্ডসেও আট উইকেট পেয়েছেন রবিনসন। দ্বিতীয় টেস্টে তার বোলিং পরিসংখ্যান ছিল ৮/৩৫। দুই টেস্টে মোট ১৬ উইকেট নিয়ে দুবারই ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন রবিনসন। সিরিজ শুরুর পর আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে তার অবস্থানের উন্নতি হয়েছে মোট ২২ ধাপ।
রবিনসনের উত্থানের সঙ্গে ইংল্যান্ডের আরেক পেসার জশ টাংয়েরও বড় উন্নতি হয়েছে। লর্ডসে পাঁচ উইকেট নেওয়া টাং চার ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ারসেরা ১৩তম স্থানে উঠেছেন। সিরিজ শুরুর পর থেকে র্যাঙ্কিংয়ে তার উন্নতি হয়েছে ২০ ধাপ। অন্যদিকে পাকিস্তানের মোহাম্মদ আব্বাসও লর্ডসে নয় উইকেট নিয়ে ১০ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ১৫তম স্থানে উঠেছেন।
বোলারদের তালিকার শীর্ষে অবশ্য কোনো পরিবর্তন নেই। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাকাইতে ১০ উইকেট নিয়ে গত সপ্তাহেই প্রথমবারের মতো এক নম্বরে ওঠা অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ক শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন। তার পরেই আছেন ভারতের জসপ্রিত বুমরাহ ও নিউজিল্যান্ডের ম্যাট হেনরি।
ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ইংল্যান্ডের হ্যারি ব্রুক। পাকিস্তানের বিপক্ষে লর্ডস টেস্টে ১৫ ও ৩৪ রান করেও এক নম্বর জায়গা ধরে রেখেছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ স্মিথ উঠে এসেছেন দ্বিতীয় স্থানে, আর জো রুট নেমে গেছেন তৃতীয় অবস্থানে। শ্রীলঙ্কার কামিন্দু মেন্ডিসও দুই ধাপ এগিয়ে আবার সেরা দশে ঢুকেছেন।
র্যাঙ্কিংয়ে বড় উন্নতি হয়েছে পাকিস্তানের সাউদ শাকিলেরও। লর্ডসে দ্বিতীয় ইনিংসে ৯৭ রান করে ১৫ ধাপ এগিয়ে ১৮তম স্থানে উঠেছেন তিনি। পাকিস্তানের ব্যাটারদের মধ্যে তার ওপরে এখন শুধু বাবর আজম, যদিও বাবর পাঁচ ধাপ পিছিয়ে ১৫তম স্থানে নেমে গেছেন। শ্রীলঙ্কার তরুণ সোনাল দিনুশাও দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করে ক্যারিয়ারসেরা ২৫তম স্থানে উঠেছেন।
টেস্টের পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়েও বড় পরিবর্তন এসেছে। চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজে ৭৫, অপরাজিত ৭৫ ও ৪১ রানের ইনিংস খেলে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্রেভিস ছয় ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ারসেরা চতুর্থ স্থানে উঠেছেন। টি-টোয়েন্টি ব্যাটারদের তালিকায় তার ওপরে আছেন ভারতের ইশান কিশান, পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান ও ভারতের অভিষেক শর্মা।