আবারও বোলারদের ব্যর্থতা, প্রথম দিনেই চাপে বাংলাদেশ ‘এ’ দল

বাংলাদেশ 'এ' দল-সাউথ আফ্রিকা 'এ' দল সিরিজ
ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা
ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
সাউথ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচেও শুরুটা ভালো হলো না বাংলাদেশ ‘এ’ দলের। পচেফস্ট্রুমে প্রথম দিন শেষে চার উইকেটে ৩৭২ রান করেছে স্বাগতিকরা। দিনের বড় অংশজুড়েই ব্যাটারদের নিয়ন্ত্রণে ছিল ম্যাচ, ফলে বড় সংগ্রহের ভিত্তি তৈরি করে ফেলেছে তারা।

বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির মুহূর্ত অবশ্য এসেছিল শুরুতেই। চতুর্থ ওভারে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে শেপাং দিথোলে ক্যাচ দিলে দ্রুত প্রথম উইকেট পায় সফরকারীরা। তবে সেই সাফল্য বেশিক্ষণ কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ।

জুবাইর হামজা ও লেসগো সেনেকওয়ানে মিলে এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেন। দ্বিতীয় উইকেটে ১৫১ রান যোগ করেন তারা। ৬৮ রানে হামজার বিদায়ে জুটি ভাঙলেও ততক্ষণে বড় ভিত্তি পেয়ে যায় সাউথ আফ্রিকা। ১০৪ বলের ইনিংসে ১০টি চার ও একটি ছক্কা মারেন হামজা।

হামজার পর অধিনায়ক মার্কেস অ্যাকারম্যানও দ্রুত ফিরে গেলে কিছুটা আশা জাগে বাংলাদেশের। কিন্তু সেনেকওয়ানেকে থামাতে খুব বেশি সময় নেয়নি। নাঈম হাসানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরার আগে ১৬৯ বলে ১১১ রান করেন এই ওপেনার। আটটি নয়, ১৩টি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো ছিল তার ইনিংস।

এরপর অবশ্য ম্যাচে আর কোনো উইকেট পড়তে দেননি সিনেথেম্বা কেশিলে ও গাভিন কাপলান। দিনের শেষ ভাগে বাংলাদেশের বোলারদের নির্বিষ করে পঞ্চম উইকেটে ১৮২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন দুজন। কেশিলে ১১১ রানে অপরাজিত থেকে আরেকটি শতক পেয়েছেন, আর কাপলান দিন শেষ করেছেন ৭২ রানে।

আগের ম্যাচের মতো এবারও বাংলাদেশের পেস আক্রমণ খুব একটা কার্যকর ছিল না। মুশফিক হাসান ও রেজাউর রহমান রাজা একটি করে উইকেট পেলেও ধারাবাহিকভাবে চাপ তৈরি করতে পারেননি। স্পিনার নাঈম হাসান ও হাসান মুরাদও দীর্ঘ সময় বল করেও সাউথ আফ্রিকার ব্যাটিংয়ে বড় ধস নামাতে পারেননি।

এই ম্যাচের আগে দুই দলের প্রথম চার দিনের লড়াইয়েও একই চিত্র দেখা গিয়েছিল। কেশিলের অপরাজিত ২০০ ও অ্যাকারম্যানের ২৫৬ রানে ভর করে সাউথ আফ্রিকা ‘এ’ দল করেছিল ৬ উইকেটে ৬৪৭ রান। বাংলাদেশের ব্যাটিং সেই সংগ্রহের ধারেকাছেও যেতে পারেনি।

এবারও টেস্ট অভিজ্ঞতা থাকা কয়েকজন ক্রিকেটারকে নিয়ে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। একাদশে এমন ক্রিকেটার আছেন ছয়জন। সাউথ আফ্রিকার একাদশে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের সংখ্যা তিনজন হলেও মাঠের খেলায় তারাই এগিয়ে। প্রথম দিন শেষে তাই দ্বিতীয় ম্যাচেও কঠিন অবস্থায় বাংলাদেশ ‘এ’ দল।

আরো পড়ুন: