‘বিশ্বে সবচেয়ে কম অগ্রাধিকার পায় বিপিএল’

বিপিএল
ইশতিয়াক সাদেক
ইশতিয়াক সাদেক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
প্রতিবছর ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। একই সময়ে বিপিএলের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয় দুবাইয়ের ইন্টারন্যাশনাল লিগ টিন-টোয়েন্টি ও সাউথ আফ্রিকার এসএ টোয়েন্টির মতো টুর্নামেন্ট। ফলে মানসম্পন্ন ক্রিকেটার পেতে হিমসিম খেতে হয় বিপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে।

মানসম্পন্ন ক্রিকেটার পেলেও তাদের পেতে দ্বিগুণ তিনগুণ অর্থ খরচ করতে হয় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে। এই বিষয় থেকে উত্তরণের জন্য বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের ৫ বছরের পরিকল্পনা চেয়েছে বিপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিরা। বিপিএলের এবারের আসর আয়োজন করছে বিসিবি। মূলত পরিকল্পিতভাবে এই টুর্নামেন্টটি আয়োজন করতেই সময় নিতে চাইছে দেশের ক্রিকেট বোর্ড।

এ কারণেই শনিবার বিসিবি ও বিপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিদের সঙ্গে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি বিসিবিও নিজের পরিকল্পনার কথা খোলাসা করেছে। রংপুর রাইডার্সের প্রধান নির্বাহী ইশতিয়াক সাদেক জানিয়েছেন বিশ্বে অন্তত ২০টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ চলে। এর মধ্যে সবচেয়ে কম অগ্রাধিকার পায় বিপিএল।

এ প্রসঙ্গে বিসিবির সভা শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে রংপুর রাইডার্সের এই কর্মকর্তা বলেন, 'আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি বাজারে ন্যূনতম ২০টি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট চলে। তো এখানে আমাদের বিপিএলটা সবচেয়ে কম অগ্রাধিকার পায়। তো আমরা সব সময় টপ ক্লাস খেলোয়াড়দের আনি, কিন্তু আমরা ১০ টাকার খেলোয়াড়কে ৩০ টাকা দিয়ে আনছি।'

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে আসলে বিপিএলের জন্য ভালো হবে বলে মনে করেন সাদেক। তিনি যোগ করেন, 'বিপিএলটার সংস্কার প্রয়োজন, কারণ আমরা দীর্ঘ ১০ বছর ধরে আছি। কিন্তু আমাদের কোনো গঠনমূলক আইডিয়া নেই, টেকসই কোনো মডেল নেই। এই মডেলগুলো যদি আমরা দুই পক্ষ, বিসিবি এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি একসঙ্গে ডেভেলপ করতে পারি, এমনকি দীর্ঘমেয়াদে, বিপিএলের জন্য অনেক ভালো হবে।'

বিপিএলের সর্বশেষ কয়েক আসরে লাভের মুখ দেখেনি বিসিবি। পাশাপাশি বিপিএলে অনেক ফ্র্যাঞ্চাইজির বিরুদ্ধে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক ঠিক সময়ে না দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ফিক্সিং কান্ডেও বিভিন্ন দলের নাম এসেছে। সাদেক মনে করেন সময় নিয়ে ভালো একটি মডেলে বিপিএল আয়োজন সবচেয়ে ভালো সমাধান।

তিনি বলেন, 'বাজারের পরিস্থিতি দিনকে দিন এত খারাপ হচ্ছে যে এটা আরও বেশি খারাপই হবে। সুতরাং শুধু নামমাত্র বিপিএল করে প্রতিশ্রুতি দিলাম ৩০ লাখ টাকা দেবো কিন্তু খেলোয়াড়কে আমি শেষ পর্যন্ত ১৫ লাখ টাকা দিচ্ছি না, ফোন ধরছি না, হারিয়ে যাচ্ছি— এর চেয়ে বরং একটু সময় নিয়ে ভালো কোনো একটা মডেলে করাটাই ভালো।'

আরো পড়ুন: