১৬৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই জিশান আলমের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। জের্সিস ওয়াডিয়ার বলে শূন্য রানেই লেগ বিফোর হন এই ওপেনার। দ্বিতীয় উইকেটে ৬১ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে জয়ের ভিত গড়ে দেন হাবিবুর রহমান সোহান ও আরিফুল ইসলাম। দুই ছক্কা ও এক চারে ১৮ বলে ২৩ রান করে সোহান ফিরে গেলে ভাঙে এই জুটি।
এরপর আরিফুল এক প্রান্তে হাল ধরলেও তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি সাব্বির রহমান কিংবা অধিনায়ক ইরফান শুক্কুরও। সাব্বির ৮ বলে ৫ ও ইরফান ৭ বলে ৫ রান করে আউট হন। ১৭ রানের ব্যবধানেই ৩ উইকেট হারিয়ে আবারও চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
পঞ্চম উইকেটে আরিফুলের সাথে জুটি গড়ে বাংলাদেশকে আবার জয়ের স্বপ্ন দেখান শামীম হোসেন পাটোয়ারী। ৩৯ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার। ১৮ বলে ১৮ রান করে লাচিয়ান বাঙ্গসের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান শামীম। শামীম আউট হবার সাথে সাথেই নামে ব্যাটিং ধ্বস। মাত্র ৮ বলের ব্যবধানেই ৫ উইকেট হারায় এইচপি। ৫৪ বলে ইনিংস সর্বোচ্চ ৬৬ রান করে আউট হবার সাথে সাথেই নিশ্চিত হয় পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা বাংলাদেশের।
এর আগে ডারউইনের মারারা ওভালে টস হেরে ব্যাট করতে নামে অ্যাডিলেড। উদ্বোধনী জুটিতে ৩৪ রান যোগ করেন দুই ওপেনার থমাস কেলি ও কন্নর ক্যারল। চতুর্থ ওভারে ক্যারলকে বোল্ড করে এই জুটি ভাঙেন মিস্ট্রি স্পিনার রুবেল। এক ওভার পরেই জের্সিস ওয়াডিয়াকে বোল্ড করেন আবু হায়দার রনি। অন্যপ্রান্তে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে থাকা ওপেনার কেলিকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে রাখেন স্পিনার রাকিবুল হাসান।
২০ বলে ৩৮ রান করা কেলিকে রুবেলের ক্যাচ বানান রাকিবুল। এরপর বাংলাদেশ এইচপির বোলারদের দাপটের মাঝেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন হেনরি হান্ট। ২৯ বলে ৩৫ রান করেন তিনি। নতুন বলে দুর্দান্ত পারফর্ম করা রুবেল পুরানো বলেও দেখান নিজের স্পিন জাদু। হান্টকে জিশানের ক্যাচ বানান এই স্পিনার। ছয়ে নামা নোহ ম্যাকফাডেইন খেলেন ২৮ বলে ৩১ রানের ইনিংস।
শেষ দিকে আর কোনো ব্যাটার থিতু হতে না পারলে ১৬৪ রানেই থামতে হয় অ্যাডিলেডকে। বাংলাদেশ এইচপির হয়ে আবদুল গাফফার সাকলাইন চারটি, রুবেল তিনটি, এবং রনি ও রাকিবুল একটি করে উইকেট নেন।