প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম ইনিংসে এক মেহেদী হাসান মিরাজের সেঞ্চুরি ছাড়া কোনো ব্যাটারই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া বোলারদের সামনে অসহায় ছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে আরো গুরুতর অবস্থা ছিল শান্ত-মুশফিকদের। ক্যাম্পনেল থমসনের এক স্পেলেই অসহায় আত্মসমর্পন করেন ব্যাটারদের। প্রস্তুতি ম্যাচে পরিসংখ্যান খুব বেশি গুরুত্ব না পেলেও মিচেল স্টার্ক-প্যাট কামিন্সদের মুখোমুখি হবার আগে এই ৫৪ রানে গুঁটিয়ে যাওয়াটা সতর্কবার্তাই দিচ্ছে বাংলাদেশ শিবিরে।
প্রস্তুতি ম্যাচ শেষে সিমন্স বলেন, 'আমার মনে হয় এই প্র্যাকটিস ম্যাচে আমরা ব্যাটিংয়ে নিজেদের হতাশ করেছি। আপনি যদি দেখেন আমরা কীভাবে আউট হয়েছি, সেটা মোটেও ভালো ছিল না।হতাশাজনক ম্যাচ ছিল, তবে আমরা সামনে এগোচ্ছি এবং টেস্ট ম্যাচের দিকে তাকিয়ে আছি।'
ইনিংস ব্যবধানে হারলেও ১৩ আগস্ট প্রথম টেস্টের আগে প্রস্তুতি ম্যাচ মূল ম্যাচে বাংলাদেশকে সাহায্য করবে বলেও মনে করেন বাংলাদেশের প্রধান কোচ। সিমন্স বলেন, 'আমার মনে হয় আমরা এই যে তিনটা দিন পেলাম এবং বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করলাম, আমার মনে হয় সেগুলো খুব ভালো ছিল।'
ব্যাটাররা দুই ইনিংসেই ব্যর্থ হলেও উইকেটের দেখা পেয়েছেন প্রস্তুতি ম্যাচের দলে থাকা সব পেসাররা। হাসান মাহমুদ একাই ফিরিয়েছেন চার ব্যাটারকে। আপাতত, প্রস্তুতি ম্যাচে ইতিবাচক দিকগুলোকে সাথে নিয়ে ভুলগুলো শুধরাতে টেস্ট শুরুর আগের দিনগুলোতে কাজ করার দিকেই বেশি মনযোগী হতে চান সিমন্স।
এ প্রসঙ্গে সিমন্স বলেন, 'আমার মনে হয় টেস্ট ম্যাচে আমাদের যা যা সঠিকভাবে করতে হবে, সেগুলো নিয়ে কাজ করার জন্য আমাদের কাছে আরও তিন দিন সময় আছে। আর আমার বিশ্বাস যে, টেস্ট ম্যাচের জন্য আমরা যেখানে পৌঁছাতে চাই, সেখানে পৌঁছাতে ছেলেরা আগামী তিন দিন কঠোর পরিশ্রম করবে।'