‘আমরা যেভাবে বোলিং করেছি, ওই ২ ম্যাচে জেতা উচিত ছিল’

জিম্বাবুয়ে-বাংলাদেশ সিরিজ
বাংলাদেশ দল
বাংলাদেশ দল
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
২০০১ সালে ঘরের ঘরের মাঠে এবং জিম্বাবুয়েতে গিয়ে ওয়ানডে সিরিজে দুইবার হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল বাংলাদেশ। তবে এরপর কেটে গেছে ২৫ বছর, এই সময়ে আর কখনো বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। উল্টো বাংলাদেশ ছয়বার হোয়াইটওয়াশের স্বাদ দিয়েছে জিম্বাবুয়েকে।

যদিও এবার জিম্বাবুয়ে সফরে গিয়ে টেস্টে হেরেছে বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে হেরে আবারও হোয়াইটওয়াশ হওয়ার শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল টাইগাররা। তবে শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ জেতায় সেই তিক্ত স্বাদ পেতে হয়নি। সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ে ৭ উইকেটে ১৯৯ রান তোলে।

জবাবে বাংলাদেশ ৭ উইকেট হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে নিয়েছে। বাংলাদেশ দলের বোলিং কোচ তালহা জুবায়ের ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচেও বাংলাদেশের জেতা উচিত ছিল। কারণ বোলাররা সেই সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিলেন। শেষ ম্যাচ জেতায় তা টি-টোয়েন্টি সিরিজে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলেও মনে করেন তিনি।

তালহা বলেন, 'প্রথম দুই ম্যাচে আমরা যেভাবে বোলিং করেছি, তাতে আমাদের ওই ম্যাচ দুটো জেতা উচিত ছিল। তবে শেষ ম্যাচটা আমরা জিতেছি এবং সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এতে আমরা ছন্দ পেয়েছি। আশা করি, এই ছন্দ আমরা টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ধরে রাখতে পারব।'

তালহা মনে করেন প্রতিটি জয়ই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি খোলাসা করে বলেন, 'হ্যাঁ, খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জেতা একটা অভ্যাস। তাই প্রতিপক্ষ যেই হোক, ম্যাচ জেতা সব সময়ই ভালো। জিতলে আত্মবিশ্বাস ও ছন্দ তৈরি হয়। সামনে আমাদের টি-টোয়েন্টি সিরিজ আছে। তাই তার আগে এখানে এই ম্যাচটা জেতা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।'

সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ব্যাটারদের স্বাচ্ছন্দ্য দেখা যায়নি। তবে শেষ ম্যাচে তারা যেভাবে ব্যাটিং করেছেন তার প্রশংসা করেছেন তালহা। প্রথম দুই ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটাররা অনেক উইকেট উপহার দিয়েছেন বলেও মনে করেন তিনি।

তালহা যোগ করেন, 'আজ আমরা যেভাবে ব্যাটিং করেছি, তাতে পুরো সময় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে ছিলাম। কিন্তু প্রথম দুই ওয়ানডেতে আমাদের ব্যাটসম্যানদের কখনোই মনে হয়নি তারা স্বাচ্ছন্দ্যে আছে। আমরা প্রতিপক্ষকে অনেক উইকেট উপহার দিয়েছি। তারা আমাদের আউট করেছে, বিষয়টা শুধু তা নয়, আমরা নিজেরাই অনেক উইকেট দিয়ে এসেছি।'

পাশাপাশি জিম্বাবুয়ের বোলারদের কৃতিত্ব দিয়ে তিনি বলেন, 'আমি জিম্বাবুয়ের বোলারদের কৃতিত্ব কমাতে চাই না। তারা সত্যিই খুব ভালো বোলিং করেছে। কিন্তু প্রথম ম্যাচে তারা ১৪০ রান করেছিল। সেই ম্যাচটা আমাদের জেতা উচিত ছিল। অন্য দিক থেকে দেখলেও তারা ভালো বোলিং করেছে। তাই প্রতিদ্বন্দ্বিতাটা ভালোই হয়েছে। এই কন্ডিশন আমাদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং, কারণ দেশের মাঠে আমাদের উইকেটে এত বাউন্স থাকে না। তবে সামনে সাউথ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়েতে বিশ্বকাপ হবে। তাই এই অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য খুব ভালো প্রস্তুতি।

আরো পড়ুন: