আলিসের ৪ উইকেট, জয়ে শুরু প্রাইম ব্যাংকের

ডিপিএল
প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব
প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
তৌফিক খান তুষারের পর মার্শাল আইয়ুব, শুভাগত হোম ও তোফায়েল আহমেদকে ফেরালেন আলিস আল ইসলাম। ৬ ওভারে ২২ রান খরচায় রহস্যময় স্পিনারের শিকার ৪ উইকেট। আলিসের এমন বোলিংয়ে ১৫৩ রানে গুঁটিয়ে যায় অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। রান তাড়ায় তানজিদ হাসান তামিম, আরিফুল ইসলাম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও শামীম হোসেন পাটোয়ারির ব্যাটে ৪ উইকেটের জয় পেয়েছে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব।

‎১৫৪ রানের ছোট লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ওপেনার শাহাদাত হোসেন দিপুর উইকেট হারায় প্রাইম ব্যাংক। এরপর দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে দ্রুত রান তুলতে থাকেন তানজিদ ও আরিফুল। অষ্টম ওভারেই দলীয় অর্ধশতক পেরিয়ে যায় তারা। এই দুই ব্যাটারের ৬৯ রানের জুটি ভাঙেন শুভাগত। ৩২ বলে তিন ছক্কা ও চারটি চারে ৪৪ রান করা তানজিদকে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন ডানহাতি এই স্পিনার।

‎তানজিদ আউট হবার পর বেশিক্ষণ টেকেননি আরিফুলও। দলীয় ৮৯ রানে আশরাফুল হাসানের বলে লেগ বিফোর হবার আগে ৩৫ বলে ৩৪ রান করেন আরিফুল। এক ওভার পরেই ফিরে যান অধিনায়ক আকবর আলী। সাত রান করে আরিফ আহমেদের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন প্রাইম ব্যাংকের অধিনায়ক। এরপর দ্রুতই শামিম মিয়া ফিরে গেলে ৯৯ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে প্রাইম ব্যাংক।

ষষ্ঠ উইকেটে মাহমুদউল্লাহ ও শামীম ৩৮ রানের জুটি গড়ে সেই চাপ সামাল দেন। জয় থেকে ১৭ রান দুরে থাকতে ৪২ বলে ২৩ রান করে শহিদুল ইসলামের বলে বোল্ড হন মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু অপর প্রান্তে ৩০ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন শামীম। সাত বল বাকি থাকতে চাড় উইকেটের জয় পায় প্রাইম ব্যাংক। অগ্রণীর হয়ে আশরাফুল দুইটি এবং রবিউল হক, শুভাগত , শহিদুল ও আরিফ একটি করে উইকেট নেন।

‎এর আগে বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে ৩০ ওভারের ম্যাচে টস জিতে অগ্রণীকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান প্রাইম ব্যাংকের অধিনায়ক আকবর। উদ্বোধনী জুটিতে ঝড়ো সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার মাহফিজুল ইসলাম রবিন ও তৌফিক। দলীয় ৩৬ রানে অগ্রণীর উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন আলিস । ১০ বলে ১৭ রান করে লং অন অঞ্চলে তানজিদের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তুষার।

‎এক ওভার পরেই রান আউট হয়ে দিরে যান রবিন। ২৪ বলে ২২ রান করেন তিনি। এরপর অগ্রণীর দলীয় ৬৪ রানে আবারও আঘাত হানেন আলিস। চার রান করা মার্শাল আইয়ুবকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন তিনি। একপ্রান্তে হাল ধরা অধিনায়ক ইমরুল কায়েসও দলীয় ৯৬ রানে ফিরে গেলে ১০০ রানের আগেই চতুর্থ উইকেট হারায় তারা। আবু হাশিমের বলে ৩২ রান করে উইকেটের পেছনে আকবরের গ্লাভসবন্দি হন ইমরুল।

‎ইমরুল আউট হবার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে অগ্রণী ব্যাংক। দারুণ খেলতে থাকা শুভাগতকে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলে নিজের তৃতীয় উইকেট তুলে নেন আলিস। ১৭ বলে ১৮ রান করেন প্রাইম ব্যাংকের এই অলরাউন্ডার। নাসির হোসেন কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও ব্যক্তিগত ২২ রানে তিনি শিকার হন শামীম মিয়ার। দ্রুত পরের চার উইকেট হারিয়ে ১৩১ রানেই আট উইকেটের দলে পরিণত হয় অগ্রণী।

শেষ দিকে পেসার শহিদুল ইসলামের দুই ছক্কায় ১৭ রানের ইনিংসে দেড়শ পার হয় অগ্রণীর ইনিংস। ‎২৯ ওভার এক বলে ১৫৩ রানেই অলআউট হয় অগ্রণী ব্যাংক। প্রাইম ব্যাংকের হয় আলিস চার উইকেট শিকার করেন। এ ছাড়াও আবু হায়দার রনি দুইটি এবং এনামুল হক, আবু হাশিম ও শামিম একটি করে উইকেট নেন।

আরো পড়ুন: