আকবরদের হারিয়ে ফাইনালে লিটনদের সঙ্গী শান্তরা

অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপ
বিসিবি
বিসিবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
বিসিবি আয়োজিত অদম্য কাপে শেষ পর্যন্ত সমীকরণ মেলাতে পারল না দুরন্ত। ফাইনালে উঠতে হলে শুধু জিতলেই নয়, জিততে হতো বড় ব্যবধানে। এমন চাপের ম্যাচে আকবর আলীদের দল জিততেই পারল না। বরং দুরন্তকে ৭ উইকেটে উড়িয়ে দিয়ে অপরাজিত থেকেই ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল নাজমুল হাসান শান্তর দুর্বার।

১৪৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে স্বাচ্ছন্দ্যেই জয় তুলে নিয়েছে দুর্বার। ১৭.৩ ওভারেই জয় তুলে নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে তারা। শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে শান্তর দল। টুর্নামেন্টে টানা দুই ম্যাচ জেতা দুর্বার খেলবে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে। সোমবার তাদের প্রতিপক্ষ ধুমকেতু। যারা উদ্বোধনী ম্যাচে দুরন্তকে হারিয়েছিল।

ধুমকেতুর জয় এক ম্যাচে, আর কোনো ম্যাচ না জিতেই টুর্নামেন্ট শেষ হলো দুরন্তর। এই ম্যাচে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে দুরন্ত। প্রথম চার ব্যাটারের কেউই দায়িত্ব নিতে পারেননি। ২২ বল খেলে মাত্র ৮ রান করেন মাহফিজুল ইসলাম রবিন। জিসান আলম শূন্য রানে ফিরলেও জাওয়াদ আবরার ও আজিজুল হাকিম তামিম করেন ৬ রান করে।

মাঝখানে আরিফুল ইসলাম ও এসএম মেহেরব হাসানের জুটিতে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে আকবরের দল। ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ৩২ বলে ৪১ রান করেন আরিফুল। অন্য প্রান্তে ১ চার ও ৩ ছক্কায় ২৩ বলে ৩৬ রান করেন মেহেরব। অধিনায়ক আকবর যোগ করেন ৮ বলে ১৩ রান।

শেষ দিকে আব্দুল গাফফার সাকলাইনের ৯ বলে ১৮ রানের ক্যামিওতে দেড়শর কাছাকাছি পৌঁছায় দুরন্ত। নির্ধারিত ২০ ওভারে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৪৫ রান। দুর্বারের হয়ে বল হাতে দারুণ ছিলেন খালেদ আহমেদ। ৪ ওভারে ২৩ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। আলিস আল ইসলাম ছিলেন আরও মিতব্যয়ী। ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রান খরচ করে নেন ১ উইকেট।

রান তাড়ায় শুরুতেই ঝড় তোলেন হাবিবুর রহমান সোহান। পাওয়ার প্লেতেই ম্যাচের রাশ প্রায় ছিনিয়ে নেন তিনি। ১টি চার ও ৫টি বিশাল ছক্কায় মাত্র ১৭ বলে করেন ৩৯ রান। এরপর শান্ত দ্রুত ফিরলেও (৯ বলে ৫) তাতে কোনো প্রভাব পড়ে না ম্যাচের গতিতে। মাহমুদুল হাসান জয় ও নুরুল হাসান সোহানের দৃঢ় জুটিতে সহজ হয়ে যায় দুর্বারের জয়ের পথ।

দুজনের ৬৮ রানের জুটিতে ফাইনালের টিকিট প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়। জয়ের খুব কাছাকাছি গিয়ে ৫১ বলে ৫৮ রান করে আউট হন জয়। শেষ পর্যন্ত নুরুল হাসান সোহান ২৮ ও আফিফ হোসেন ধ্রুব ১১ রানে অপরাজিত থেকে দলকে ফাইনালে তুলে নেন।দুরন্তর হয়ে বল হাতে ৩ উইকেট নেন সাকলাইন। তবে দলটির বোলাররা কোনো পার্থক্য গড়ে দিতে পারেননি।

আরো পড়ুন: