মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেয়ার পর বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে নিতে আইসিসিকে চিঠি দেয় বিসিবি। কয়েকবার চিঠি চালাচালির পর ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠকও করেছে তারা। যদিও আইসিসিকে নিজেদের পরিস্থিতির কথা বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুলরা। কদিন আগে আইসিসির বোর্ড সভায়ও হেরে গেছে বাংলাদেশ।
১৫ ভোটের মধ্যে কেবলমাত্র পাকিস্তান বাংলাদেশের পক্ষ নিয়েছে। লিটনদের সমর্থন জানিয়ে আইসিসিকে চিঠিও দেয় দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকবারই গুঞ্জন উঠেছে, আইসিসি যদি বাংলাদেশের দাবি মেনে না নেয় তাহলে বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে পাকিস্তান। ২৪ জানুয়ারি পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিনও এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন। আপাতত সরকারের অপেক্ষায় আছেন তারা।
পিসিবির পাশাপাশি রশিদ লতিফ, মোহাম্মদ শেহজাদের মতো ক্রিকেটাররা বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। পিসিবির সাবেক চেয়ারম্যান নাজাম শেঠি তো জানিয়েই দিয়েছেন পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপ বয়কট করে তাহলে সেটিকে তিনি সমর্থন করবেন। পাশাপাশি ২৫ জানুয়ারি ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মহসিন নাকভি। যেখানে পিসিবির নীতিগত অবস্থানকে সমর্থনও জানিয়েছেন বিশ্বকাপ দলে থাকা ক্রিকেটাররা।
জানা গেছে, বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়ে পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপও বয়কট করে তবুও পিসিবির পাশে থাকবেন বাবর, শাহীন আফ্রিদির মতো ক্রিকেটাররা। এরপর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের সঙ্গেও দেখা করেছেন মহসিন নাকভি। বিশ্বকাপ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় নেন পিসিবির চেয়ারম্যান। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের জন্য আবারও ক্রিকেটারদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি।
৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬ টায় আবারও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন নাকভি। আজকে সন্ধ্যায় বিশ্বকাপ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে পাকিস্তান। জানা গেছে, বিশ্বকাপে না গেলে ওই সময় বাবররা কি করবেন বিকল্প সেই পরিকল্পনাও করে রেখেছে তারা। জিও নিউজের প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, পাকিস্তান জাতীয় দল ও শাহীন্স অনূর্ধ্ব-১৮ দলের ক্রিকেটারদের চারটি দলে ভাগ করে ঘরোয়া টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে পিসিবি।