আইসিসি বাংলাদেশের ভেন্যু স্থানান্তরের অনুরোধ না রেখে সুবিচার করেনি বলে মন্তব্য করেছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা। তবে এখনও তারা সুবিচার করবে বলে আশা করছেন তিনি। ক্রিকেটারদের সঙ্গে কী আলাপ হয়েছে, এই ব্যাপারে খোলাসা করেননি তিনি। এ ছাড়া
আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে। তারা আগের সিদ্ধান্তেই অনড় আছেন।
বৈঠক শেষে আসিফ নজরুল গণমাধ্যমকে বলেছেন, 'সাধারণ, আমরা সবাই চেয়েছি আমরা যেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে পারি। কিন্তু আমাদের যে নিরাপত্তা ঝুঁকি ভারতে খেলার ক্ষেত্রে সেই নিরাপত্তা ঝুঁকির কোন পরিবর্তন ঘটেনি। আমাদের নিরাপত্তা ঝুঁকির যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, এটা কোন বায়োবীয় বিশ্লেষণ বা ধারণা থেকে হয়নি। এটা একটা সত্যিকারের ঘটনা থেকে হয়েছে।'
এরপর বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, 'আমরা আমাদের মতো চেষ্টা করে যাব, আমরা এখনও হাল ছেড়ে দিচ্ছি না। আমরা আবার আজকে যোগাযোগ করব আরও কিছু জিনিস নিয়ে এবং চেষ্টা করে যাচ্ছি যাতে আমাদের ছেলেরা বিশ্বকাপ খেলতে পারে। আমাদের একটাই চাহিদা, আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই। এই মুহূর্তে আমরা ভারতে যেতে চাই না, আমরা শ্রীলঙ্কার মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে চাই। আমরা এখনও রেডি, আমাদের দল রেডি আছে।'
ক্রিকেটারদের মধ্যে নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, নাজমুল হোসেন শান্ত, হাসান মাহমুদ, জাকের আলী ও সাইফ হাসানের মতো ক্রিকেটার ক্রীড়া উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে যোগ দেন। বিসিবির পক্ষ থেকে সভায় যোগ দেন প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরিও। ৪ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবং বাংলাদেশ সরকার—উভয় পক্ষই নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা জানিয়ে ভারতে সফরে অনড় অবস্থানে রয়েছে।
এই অবস্থান যদি অপরিবর্তিত থাকে, তাহলে বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়তে হবে—এ কথাই স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে আইসিসি। আজকের বৈঠকের মূল উদ্দেশ্যও সেটাই—একেবারে চূড়ান্তভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া, বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে কি না, নাকি টুর্নামেন্টে নিজেদের জায়গা ছেড়ে দেবে। এর আগে, গত রাতে আইসিসি জানায়—ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানালে বাংলাদেশকে বদলি কোনো দল দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হবে।