রাওয়ালপিন্ডিতে রান তাড়ায় একেবারেই ভালো করতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ফেরেন লাহিরু উদারা। ডানহাতি ওপেনারকে ফেরান সালমান মির্জা। উইকেট হারানোর পর পাওয়ার প্লেতে সুবিধা করতে পারেনি লঙ্কানরা। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে আউট হয়েছেন সিনেথা জয়াবর্ধেনা। বড় ইনিংস খেলতে পারেননি কুশল মেন্ডিসও।
১৫ বলে ৯ রান করে আউট হয়েছেন ইমরানের বলে। শ্রীলঙ্কার রান পঞ্চাশ হওয়ার আগে ফিরেছেন শেহান আরাচিগেও। ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন দাসুন শানাকাও। তাকে ফেরান সাইম আইয়ুব। উইকেটে থিতু হলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি কামিন্দু মেন্ডিস। ১৯ বলে ২৩ রান করে আউট হয়েছেন শাদাব খানের বলে।
৭৪ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন চামিন্দু বিক্রমাসিংহে ও থিকশানা। তারা দুজনে মিলে কেবল হারের ব্যবধানই কমিয়েছেন। ২৪ বলে ২৯ রান করে চামিন্দু আউট হয়েছেন সালমানের বলে। তাকে সঙ্গ দেওয়া থিকশানা অপরাজিত ছিলেন ৩২ রানে। লঙ্কানদের ১৩৩ রানে থামানোর দিনে পাকিস্তানের হয়ে ইমরান তিনটি ও সালমান দুইটি উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তানকে দারুণ শুরু এনে দেন ফখর জামান ও শাহিবজাদা। তাদের দুজনের ব্যাটে পাওয়ার প্লেতে ৪৬ রান তোলে পাকিস্তান। যদিও পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পরই ফখরের উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। মাহিশ থিকশানার অফ স্টাম্পের বাইরের স্লোয়ার ডেলিভারিতে লং অফের উপর দিয়ে খেলার চেষ্টায় আউট হয়েছেন তিনি। ১৭ বলে ২২ রান করেছেন ফখর।
দ্বিতীয় উইকেটে সাদাকাত ও শাহিবজাদা মিলে দারুণ এক জুটি গড়েন। আক্রমণাত্বক ব্যাটিংয়ে ৩১ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন পাকিস্তানের অধিনায়ক। সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন ডানহাতি এই ওপেনার। তবে শাহিবজাদাকে তিন অঙ্ক ছুঁতে দেননি শানাকা। ডানহাতি পেসারের বলে আউট হয়েছেন ৪৪ বলে ৭৩ রানের ইনিংস খেলে। সাদাকাত পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন ৩০ বলে।
সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েছিলেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। তবে ৬ চার ও ৭ ছক্কায় ৫১ বলে ৯৬ রানের ইনিংস খেলে থামতে হয়েছে তাকে। ইশান মালিঙ্গার বলে শানাকাকে ক্যাচ দিয়েছেন ইনিংসের শেষ বলে। তাকে সঙ্গ দেওয়া হাসান নাওয়াজ ৯ বলে ১৯ রান করেছেন। পাকিস্তানের ৩ উইকেটে ২১৫ রানের পুঁজির দিনে শানাকা, মালিঙ্গা ও থিকশানা একটি করে উইকেট পেয়েছেন।