সেদিকউল্লাহ অটল মাত্র ১৭ রান করে আউট হন হাসান মাহমুদের শিকার হয়ে। অন্যদিকে শহিদুল্লাহ কামাল ২০ রান করে ফেরেন ইবাদত হোসেনের শিকার হয়ে। তৃতীয় উইকেটে আফগানদের হাল ধরেন আব্দুল মালিক ও অধিনায়ক রহমত শাহ। সেই সময় তাদের লক্ষ্য ছিল ইবাদত-হাসানকে উইকেট না দেয়া।
ম্যাচ শেষে ব্রডকাস্টারদের আলোচনায় হাজির হয়েছিলেন আফগান ওপেনার মালিক। তিনি জানিয়েছেন, হাসান-ইবাদতরা শুরুতে তাদের শট খেলার জন্য কোনো জায়গাই দিচ্ছিলেন না। উল্টো স্টাম্প টু স্টাম্প বোলিং করে চাপে ফেলে দিচ্ছিলেন তাদের। তাই তাদের ক্লান্ত হয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন তারা।
মালিক বলেন, 'শুরুতে তারা দুজনই নতুন বল খুব ভালোভাবে ব্যবহার করেছে, কারণ তারা গুড লেংথে বল করছিল এবং কোনো রুম দিচ্ছিল না; স্টাম্প-টু-স্টাম্প বল করছিল। সেদিক আর আমি নিজেদের মধ্যে কথা বলছিলাম যে একটু সতর্ক হয়ে খেলতে হবে এবং এদের উইকেট দেওয়া যাবে না, যাতে তারা ক্লান্ত হয়ে পড়লে আমরা রান করার সুযোগ পাই।'
আফগানিস্তান এখনও ১৩৫ রানে পিছিয়ে রয়েছে। ১৮৬ বলে আট চার ও এক ছয়ে ৮৪ রানে অপরাজিত থেকে দিনের খেলা শেষ করেছেন আফগানিস্তানের ওপেনার রহমত শাহ। তার সঙ্গে দারুণ এক জুটি গড়েছেন ইকরাম আলীখিল। তাদের জুটি অক্ষত আছে ১৯৪ বলে ৭২ রানে। আলীখিল অপরাজিত আছেন ২৬ রান করে।
মালিক জানিয়েছেন তাদের লক্ষ্য ছিল শুরু থেকেই জুটি গড়ার দিকে। বিশেষ করে নতুন বলে সুইং করাচ্ছিলেন হাসান-ইবাদতরা। ফলে তাদের সামাল দিতেই সেই পরিকল্পনা এঁটেছিলেন তারা। মালিক যোগ করেন, 'আমাদের পরিকল্পনা পরিস্থিতি অনুযায়ী ছিল। সেদিক এবং আমি যখন ওপেন করতে নেমেছিলাম, নতুন বলে কিছুটা সুইং ছিল। আমরা চেষ্টা করেছিলাম একটা পার্টনারশিপ তৈরি করতে এবং পিচে সময় কাটাতে।'
রহমত যখন উইকেট আসেন ততক্ষণে বল অনেকটাই স্কো আসছিল। তাই সময় নিয়ে খেলে ইনিংস বড় করতে চেয়েছিলেন তারা। সেই কাজটাই বেশ ভালোভাবে করে দেখিয়েছেন রহমত। মালিক বলেছেন, 'খুব দূর পর্যন্ত না ভেবে ছোট ছোট পার্টনারশিপের দিকে নজর ছিল। এরপর রহমত যখন উইকেটে এলো, আমরা দেখতে পেলাম বল কিছুটা ধীরে (স্লো) আসছিল, তাই পরিকল্পনা ছিল একটু লেট খেলে লম্বা সময় পার্টনারশিপ টিকিয়ে রাখা।'