পাকিস্তানের জয়ের নায়ক দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাত। ফারহান ৫৩ বলে ৮৯ রান করার পাশাপাশি সাদাকাত খেলেছেন ২৯ বলে ৫০ রানের ঝড়ো ইনিংস। তাদের ব্যাটে ভর করে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল পাকিস্তান। এর আগে শ্রীলঙ্কার হয়ে ৫৫ বলে ৯১ রান করেন উদারা।
১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল পাকিস্তান। ফখর জামান ও ফারহানের ব্যাটে দ্রুত রান উঠতে থাকে। পাওয়ারপ্লেতে ৭০ রান তুলে নেয় দলটি। ১০ বলে ১৫ রান করে জামান ফিরলেও সাদাকাত ক্রিজে এসেই ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের আগমনী জানান দেন। এরপর চার-ছক্কার বৃষ্টিতে ফারহানের সঙ্গে গড়েন ৯৭ রানের জুটি।
দুই ব্যাটারই দ্রুত ফিফটি তুলে নেন। ৩৩ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন ফারহান, সাদাকাতের ফিফটি আসে ২৮ বলে। দশম ওভারের আগেই পাকিস্তানের রান একশ ছাড়িয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ২৯ বলে ৫০ রান করে সাদাকাত ফিরলে ভাঙে জুটি। তাঁর ইনিংসে ছিল চারটি চার ও তিনটি ছক্কা। এরপর হাসান নেওয়াজ ও সাইম আইয়ুব দ্রুত ফিরলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পাকিস্তানের হাতেই ছিল।
শেষ পাঁচ ওভারে পাকিস্তানের দরকার ছিল ২৭ রান। তবে ১৬তম ওভারে মাত্র তিন রান দিয়ে সাইমকে ফেরান মাহিশ থিকশানা। পরের ওভারেও রান তুলতে কিছুটা চাপে পড়ে পাকিস্তান। কিন্তু ফারহান থুশারার ওভারে ১৪ রান তুলে সমীকরণ সহজ করে দেন। শেষ পর্যন্ত ৫৩ বলে ৮৯ রান করে ফারহান ফিরলেও জয় পেতে সমস্যা হয়নি পাকিস্তানের। শেষ দিকে খাজা নাফের ছক্কায় নিশ্চিত হয় জয়। ফারহানের ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও চারটি ছক্কা।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ধুঁকেছে শ্রীলঙ্কা। প্রথম ওভারেই ছয়টি ওয়াইড দেন নাসিম শাহ, তবে সেই ওভারেই কুশল মেন্ডিসকে ফিরিয়ে দেন তিনি। এরপর কামিল মিশারাকেও হারায় সফরকারীরা। এক প্রান্তে উইকেট পড়লেও উদারা ছিলেন সাবলীল। কামিন্দু মেন্ডিসের সঙ্গে ৬০ রানের জুটি গড়েন তিনি। কামিন্দু ১৮ রান করে ফিরলেও উদারা ৩২ বলে ফিফটি তুলে নেন।
পরের দিকে দাসুন শানাকার সঙ্গে ৫৭ রানের জুটি গড়ে শ্রীলঙ্কাকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন উদারা। শানাকা ১৮ রান করে ফিরলেও উদারা চালিয়ে যান আক্রমণ। শেষ পর্যন্ত ১১টি চার ও একটি ছক্কায় ৫৫ বলে ৯১ রান করে আউট হন তিনি। তাঁর বিদায়ের পরও শেষ দিকে কয়েকটি বাউন্ডারিতে ১৮২ রান পর্যন্ত পৌঁছায় শ্রীলঙ্কা।