গত ২৩ আগস্ট ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে ডারহামের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচ জয়ের পরের দিন ভোরে মদ্যপ অবস্থায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সন্দেহে কার্সকে আটক করা হয়। পরে তাকে ছেড়েও দেয়া হয়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে হাতকড়া পরা অবস্থায় তাকে নাইটক্লাব থেকে বের করে আনতে দেখা যায়।
ওই ভিডিওতে কার্সের সঙ্গে ইংল্যান্ডের সতীর্থ ম্যাথু পটস ও সাবেক অধিনায়ক বেন স্টোকসকেও দেখা যায়। তিনজনই ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে ম্যাচটিতে ডারহামের হয়ে খেলেছিলেন। পরে ডার্বিশায়ার পুলিশ জানায়, মারধরের একটি অভিযোগের তদন্ত করা হচ্ছিল। তবে অভিযোগকারী আর অভিযোগ করতে না চাওয়ায় তদন্ত প্রত্যাহার করা হয়।
তবে ক্রিকেট রেগুলেটরের তদন্ত চলতে থাকে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের স্বাধীন সংস্থাটি শুক্রবার জানিয়েছে, কার্সের বিরুদ্ধে পেশাদার আচরণবিধির ৩.২ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই ধারাটি ক্রিকেটের সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে পারে- এমন আচরণের সঙ্গে সম্পর্কিত।
আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ক্রিকেট ডিসিপ্লিন প্যানেলের শুনানিতে হাজির হতে হবে কার্সকে। সেখানেই তার শাস্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। সম্ভাব্য শাস্তি সতর্কবার্তা থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা পর্যন্ত হতে পারে।
ডার্বির ঘটনার আগেও কার্সের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। গত অ্যাশেজ সিরিজের তৃতীয় টেস্টে হারের পর অ্যাডিলেডে তাকে বাইরে দেখা যায়। অথচ তখনকার অধিনায়ক স্টোকস খেলোয়াড়দের দলীয় হোটেলেই থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
পরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে কার্সের অনুপস্থিতি নিয়ে ইংল্যান্ডের সাদা বলের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক জানিয়েছিলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে এই পেসারের বিরতি প্রয়োজন। ডার্বির ঘটনার পর লর্ডসে পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের দল থেকে বাদ পড়েন কার্স। এরপর ইংল্যান্ডের আর কোনো দলেও তাকে বিবেচনা করা হয়নি।