লম্বা সময় ধরে সাদা বলের ক্রিকেটে ইংল্যান্ডকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন স্টোকস। তবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ চলাকালীন নাইটক্লাব কাণ্ড ঘটিয়ে বিপাকে পড়েন তিনি। সতীর্থদের কাছে ক্ষমা চেয়ে খেলায় ফেরার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরও নিয়েছেন তারকা অলরাউন্ডার। ২০১১ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়ার পর ইংলিশদের ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে বড় অবদান রেখেছিলেন তিনি।
ইংল্যান্ডের হয়ে ১২২ টেস্টে ১৪ সেঞ্চুরি ও ৩৭ হাফ সেঞ্চুরিতে ৭ হাজার ২৪৩ রান করেছেন। পাশাপাশি পেস বোলিংয়ে নিয়েছেন ২৫২ উইকেট। জাতীয় দলের হয়ে ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপ জেতা অলরাউন্ডার ১১৩ ম্যাচে ৫ সেঞ্চুরি ও ২৪ হাফ সেঞ্চুরিতে ৩ হাজার ৪৬৩ রান করেছেন। নিয়েছেন ৭৪ উইকেট। এ ছাড়া ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতা স্টোকস ৪৩ টি-টোয়েন্টিতে ৫৮৫ রান করার পাশাপাশি ২৬ উইকেট নিয়েছেন।
ক্রিকেট খেলার পাশাপাশি কোচিংয়ের প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছেন স্টোকস। বর্তমান লেভেল থ্রি কোচিং কোর্স করছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক। ডারহামের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা তারকা অলরাউন্ডার জানিয়েছেন, পেশাদার ক্রিকেট ছাড়লে কোচিংয়ের সঙ্গে যুক্ত হবেন তিনি। যেখানে একদিন ইংল্যান্ডের কোচ হওয়ারও স্বপ্ন বুনছেন সাবেক এই অধিনায়ক।
দ্য লাভ অব ক্রিকেট পডকাস্টে এ প্রসঙ্গে স্টোকস বলেন, ‘আমি এখনই খেলার পাশাপাশি লেভেল থ্রি কোচিং কোর্স করছি। কারণ আমি চাই যখন আমি খেলব না তখন যেন এসব (কোচিং) করতে পারি। খেলার সাথে সম্পৃক্ত থেকে আমি কী করতে চাই তা আমি জানি, আর তা হলো কোচ হওয়া।’
‘এবং আমি কি একদিন ইংল্যান্ডের কোচ হতে চাইব? অবশ্যই। খেলার বাইরে আবারও কোনো না কোনো ধরনের নেতৃত্বের সাথে যুক্ত থাকার ব্যাপারটা আমার সত্যিই খুব ভালো লাগে।’
ইংল্যান্ড টেস্ট দলে স্টোকসের সহ-অধিনায়ক ছিলেন হ্যারি ব্রুক। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নেওয়ায় স্টোকসের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার কথা ছিল ব্রুকের। তবে নতুন টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে জো রুটকে। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্টোকস।