আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, তদন্তে একটি পেনড্রাইভ ইতোমধ্যে জব্দ করা হয়েছে, যাতে গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্রমাণ থাকতে পারে। অভিযোগকারীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার হুমকির অভিযোগ ওঠায় সম্ভাব্য সব ডিজিটাল প্রমাণ সংরক্ষণে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি পোরেলকে গ্রেপ্তারে তৎপরতা বাড়ানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
২০২৬ সালের ২৩ জুন হুগলির মর্গা থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। অভিযোগকারী নারীর দাবি, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে অভিষেক পোরেলের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মঙ্কুন্ডুর একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন পোরেল। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, পরে তিনি জানতে পারেন পোরেলের একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে।
পোরেল তাকে বেআইনিভাবে আটকে রাখা, সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করা এবং খাবার না দেওয়ার মতো আচরণও করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, চলতি বছরের ২ এপ্রিল দিল্লিতে একটি ঘটনার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় এবং চিকিৎসা নিতে হয়। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ফোনের মাধ্যমে তাকে হুমকিও দেয়া হয়েছে।
মামলায় যৌন নির্যাতন, ফৌজদারি ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ এখনো তদন্তাধীন এবং আদালতে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা প্রমাণিত হয়নি। ২৩ বছর বয়সী বাঁহাতি উইকেটকিপার ব্যাটার অভিষেক পোরেল বেঙ্গলের হয়ে ১১৬টি ম্যাচ খেলেছেন। আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেলেছেন ৩৫টি ম্যাচ। গত মৌসুমে তাকে ৪ কোটি রুপিতে দলে ধরে রাখে দিল্লি ক্যাপিটালস। পোড়েল অবশ্য এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন।