সিরিজে সর্বোচ্চ ১৬ উইকেট নিয়ে সিরিজসেরা হন তিনি। যদিও লর্ডসে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে হেরে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। সেই ম্যাচেই ছিল তার সেরা পারফরম্যান্স। প্রথম ইনিংসে নেন ৩ উইকেট। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে দুর্দান্ত বোলিং করে ৭০ রানে শিকার করেন ৬ উইকেট। পুরো সিরিজজুড়েই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট নিয়ে দলকে এগিয়ে রাখেন স্মিথ।
তার পারফরম্যান্সে শেষ দুই টেস্ট জিতে স্মরণীয়ভাবে সিরিজ নিজেদের করে নেয় নিউজিল্যান্ড। আর তাতেই গিল ও মোসাদ্দেককে হারিয়ে মাসসেরার পুরষ্কার জিতে নিয়েছেন স্মিথ। মাসসেরার দৌড়ে মোসাদ্দেক ছিলেন শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। ২০২২ সালের নভেম্বরের পর প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমেই আলো ছড়ান মোসাদ্দেক।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে অপরাজিত ৮৬ রানের ইনিংস খেলার পাশাপাশি নেন ২ উইকেট। সঙ্গে দারুণ এক রানিং ক্যাচও। তার অলরাউন্ড নৈপুণ্যে বাংলাদেশ পায় ৮৬ রানের জয়। অজিদের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১৫৭ রান করেন মোসাদ্দেক। দুটি হাফ সেঞ্চুরিও করেন তিনি। বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় এই সিরিজ জয়ে ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
এদিকে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত একটি মাস কাটিয়েছেন ভারতের অধিনায়ক শুভমান গিল। জুন মাসের শুরুতেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ১২৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন গিল। ভারতের ইনিংস ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে তার ১১তম টেস্ট সেঞ্চুরির ইনিংসে ছিল ১৫টি চার ও ১টি ছক্কা।
এরপর ওয়ানডে সিরিজেও সেই ছন্দ ধরে রাখেন ডানহাতি এই ব্যাটার। দুই ইনিংসে করেন মোট ২৩৮ রান। প্রথম ওয়ানডেতে ৬৬ বলে ৮৪ রান করার পর লক্ষ্ণৌতে দ্বিতীয় ম্যাচে মাত্র ১১০ বলে খেলেন ১৫৪ রানের অনবদ্য ইনিংস। ইনিংসের মাঝপথে ক্র্যাম্পে ভুগলেও শেষ দিকে আরও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন গিল। ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতার পাশাপাশি সিরিজসেরাও হন ভারতের এই অধিনায়ক। তবে দুজনই হেরে গেছেন স্মিথের সঙ্গে লড়াইয়ে।