মঙ্গলবার এজবাস্টনে আগে ব্যাট করে ইংল্যান্ড ২৫৮ রান তোলে। জবাবে ২৮ বল হাতে রেখেই লক্ষ্য স্পর্শ করে সফরকারীরা। চলতি ইংল্যান্ড সফরে এটিই ভারতের প্রথম জয়। এর আগে টি-টোয়েন্টি সিরিজে শ্রেয়াস আইয়ারের নেতৃত্বে সবকটি ম্যাচে হেরেছিল ভারত।
ভারতের জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন অক্ষর প্যাটেল। বাঁহাতি এই স্পিনার ৬২ রান দিয়ে চারটি উইকেট নিয়ে গড়েন নিজের একদিনের ক্রিকেটে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড। পরে সাত নম্বরে নেমে ৫২ বলে ৫৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। ওয়াশিংটন সুন্দরও ৬৩ বলে অপরাজিত ৫২ রান করেন। দুজনের অবিচ্ছিন্ন ১০২ রানের জুটিতেই ম্যাচ শেষ করে ভারত।
গিল জয়ের ভিত গড়ে দেন। ১১টি চার ও একটি ছক্কায় ৭৫ বলে ৮০ রান করেন তিনি। পেশিতে টান লাগার কারণে ইনিংস শেষ করতে না পারলেও তার ব্যাটিং ভারতকে শক্ত অবস্থানে পৌঁছে দেয়। এর আগে তৃতীয় উইকেটে শ্রেয়াস আইয়ারের সঙ্গে ১০১ রানের জুটি গড়েন গিল। শ্রেয়াস ৫৩ বলে ৩৫ রান করে রান আউট হন। এরপর লোকেশ রাহুলও দ্রুত বিদায় নিলে ১৬০ রানে চার উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে ভারত।
এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল ইংল্যান্ড। নতুন বলে জসপ্রীত বুমরাহ ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রথম সাত ওভারে মাত্র ২০ রান তোলে স্বাগতিকরা। একসময় ১০৭ রানেই ছয় উইকেট হারিয়ে বড় বিপদের মুখে পড়ে দলটি।
সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন জো রুট ও লিয়াম ডসন। সপ্তম উইকেটে তারা ১২১ রানের জুটি গড়ে ইংল্যান্ডকে লড়াই করার মতো সংগ্রহ এনে দেন। ডসন ৮৩ বলে ৬৮ রান করেন। রুট ৭৬ বলে অপরাজিত ৭৬ রান করে ইনিংস শেষ করেন। টানা চতুর্থ একদিনের ইনিংসে অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি।
শুরুর স্পেলে উইকেট না পেলেও শেষ দিকে ম্যাচের চিত্র বদলে দেন অক্ষর। ডসনের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসের ইতি টানার পাশাপাশি জফরা আর্চার, আদিল রশিদ ও জশ টাংকেও ফিরিয়ে দেন তিনি। অন্যদিকে বুমরাহ ৯ ওভারে ৩১ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন এবং পুরো সময়জুড়ে রান আটকে রাখেন।
জয়ের লক্ষ্য তাড়ায় রোহিত শর্মা ১১ রান এবং বিরাট কোহলি পাঁচ রান করে ফিরলেও গিলের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে ভারত। শেষ দিকে অক্ষর ও ওয়াশিংটনের শান্ত ও পরিণত ব্যাটিংয়ে আর কোনো সুযোগ পায়নি ইংল্যান্ড।