মাত্র ১৫ বছর বয়সেই ভারত দলে অভিষেক হয়েছে সূর্যবংশীর। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক সিরিজে ১৪, ১৩ ও ১৫ রানের তিনটি ইনিংস খেলে একাদশ থেকে বাদ পড়েন তিনি। যদিও ভারতের ক্রিকেটে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় তরুণদের একজন হিসেবেই তাকে দেখা হচ্ছে। তার জায়গায় পুনরায় দলে ফেরা সাঞ্জু স্যামসনও ব্যাট হাতে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি।
সম্প্রতি উইম্বলডনের পুরুষ এককের ফাইনাল দেখতে অভিষেক শর্মা ও বৈভবকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন যুবরাজ। সেখানে হাস্যরসের ছলে তিনি বলেন, 'আমি সবসময় নিজেকে ‘টার্মিনেটর’ বলি। অভিষেক শর্মা ‘টার্মিনেটর চার’, কারণ সে আমার চেয়ে চার গুণ ভালো। এরপর আসে ‘টার্মিনেটর ছয়’ বৈভব সূর্যবংশী, যে বিষয়টিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে।'
যুবরাজ আরও বলেন, 'আমি আমার সময়ে যতটুকু অবদান রাখতে পেরেছি, অভিষেক সেটিকে আরও উঁচুতে নিয়ে গেছে। এখন সেই ধারাবাহিকতা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বৈভব।'
তরুণ এই ব্যাটারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহও প্রকাশ করেছেন ভারতের সাবেক অলরাউন্ডার। তার ভাষায়, 'অভিষেকের সঙ্গে আমি অনেক সময় কাটিয়েছি। বৈভবের সঙ্গেও তেমনভাবে কাজ করতে চাই। তার সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। সে ধীরে ধীরে পরিণত ক্রিকেটারে রূপ নিচ্ছে। সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর জন্য যা যা দরকার, তার সবই রয়েছে।'
অন্যদিকে শৈশবের অন্যতম আদর্শের সঙ্গে দেখা করার অভিজ্ঞতাকে বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন বৈভব। তিনি জানান, যুবরাজের কাছ থেকে ক্রিকেটের মানসিক দিক, চাপ সামলানো এবং নিজের ওপর আস্থা রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শিখেছেন।
বৈভব বলেন, 'যুবি পাজি সবসময়ই আমার আদর্শদের একজন। প্রথমবার তার সঙ্গে দেখা হওয়া আমার জন্য খুবই বিশেষ একটি মুহূর্ত। আমরা একসঙ্গে কিছু সময় কাটিয়েছি। তিনি ক্রিকেটের মানসিক দিক, চাপ সামলানোর উপায় এবং নিজের ওপর বিশ্বাস রাখার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেছেন।'
তিনি আরও বলেন, 'তার মতো একজনের কাছ থেকে শেখার সুযোগ পাওয়া আমার জন্য বড় প্রাপ্তি। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতের পথচলায় এই অভিজ্ঞতা আমাকে অনেক সাহায্য করবে।'