সম্প্রতি জিও নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আকিব এই দল নির্বাচনকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ভাবতে মানা করেছেন। কোনো নির্বাচক বা একজন ব্যক্তি ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারেন না সেটাও জানিয়েছেন তিনি।
আর আফ্রিদির সর্বশেষ বাংলাদেশ সিরিজের পারফরম্যান্স দেখেই নির্বাচকরা মনে করেছেন দলে আরও গতিময় পেসার দরকার। সেই ভাবনাতেই অন্যদের সুযোগ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে প্রথম ইনিংসে ১১২ রান খরচায় ৩ উইকেট ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৩০ ওভারে ৮৮ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। এরপর দ্বিতীয় টেস্টে তাকে দল থেকে বাদ দেয়া হয়।
আকিব বলেন, ‘প্রতিটি সফরকে সামনে রেখে দল নির্বাচন করা হয়। কোনো নির্বাচক বা ব্যক্তি একজন ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার বা ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারেন না। সর্বশেষ টেস্ট সিরিজের পর আমাদের মনে হয়েছে, দলে আরও গতি প্রয়োজন। সে কারণেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড সফরের জন্য এই দল নির্বাচন করা হয়েছে।’
এখন পর্যন্ত ৩৪টি টেস্টে ১২৬ উইকেট নেয়া আফ্রিদির বোলিং গড় ২৮.১৩। তবু তাকে বাইরে রাখার পেছনে দলের কৌশলগত পরিকল্পনা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি। জায়গা হারানো কোনো ক্রিকেটার পারফর্ম করলে তার জাতীয় দলে ফেরার দরজাও খোলা আছে বলে জানিয়েছেন এই নির্বাচক।
আকিব বলেন, ‘যারা এবার দলে নেই, তাদেরও ভালো খেলেই আবার জায়গা ফিরে পেতে হবে। এখন যাদের নেওয়া হয়েছে, তারাও আগামী পাঁচ বছর খেলবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। সবকিছুই নির্ভর করে কন্ডিশনের ওপর। শাহীন অসাধারণ একজন বোলার। তবে অনেক সময় একজন ক্রিকেটারকে বুঝতে হয়, তিনি কোন ফরম্যাটে বেশি মনোযোগ দিতে চান এবং কোথায় তার আগ্রহ বেশি।’