বাংলাদেশ ৩৩.১ ওভারে ১১৬ রানে অলআউট হয়। জিম্বাবুয়ের হয়ে এনগারাভা ও ব্র্যাড ইভান্স তিনটি করে উইকেট নেন। নিয়ামহুরি বল হাতে দুটি উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি মাঠরক্ষণেও দুটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ নিয়ে দলের জয়ে বড় অবদান রাখেন।
এনগারাভা বলেন, 'ড্রেসিংরুমে আমাদের আলোচনা ছিল, আমরা জিম্বাবুইয়ান, যেকোনো পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর সামর্থ্য আমাদের আছে। আমরা বিশ্বাস করেছিলাম– এই কঠিন অবস্থা থেকেও লড়াই করে বেরিয়ে আসতে পারব। আমরা শেষ পর্যন্ত লড়ে যাই, আর দল হিসেবেই সেই লড়াইটা করি।'
শুরুর দিকে জিম্বাবুয়েও চাপে পড়েছিল। তবে শেষ দিকের গুরুত্বপূর্ণ জুটি দলকে লড়াই করার মতো সংগ্রহ এনে দেয়। সেই প্রসঙ্গে এনগারাভা বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য ছিল বিষয়টাকে যতটা সম্ভব সহজ রাখা। বল ভালোভাবে দেখা এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলা।'
জয়ের অনুভূতি জানাতে গিয়ে জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক বলেন, 'অনুভূতিটা সত্যিই দারুণ। এমন জয় খুবই বিশেষ অনুভূতি দেয়। আশা করি এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাতে পেরেছি, এটা ভেবে আমি খুবই আনন্দিত।'
সমর্থকদের প্রশংসা করতেও ভোলেননি এনগারাভা। তার ভাষায়, 'দর্শকদের সমর্থন ছিল অসাধারণ। তারা আমাদের দ্বাদশ খেলোয়াড়ের মতোই ভূমিকা রেখেছে। তাদের পাশে পাওয়া সত্যিই দারুণ ব্যাপার।'