সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে লড়াই করে হারলেও বাকি দুই ম্যাচে লড়াই জমাতেই ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ দল। এর পেছনে বড় কৃতিত্ব আছে অজি স্পিনারদের। ম্যাট রেনশ ও অ্যাডাম জাম্পারা পার্থক্য গড়ে দিয়েছেন। পাশাপাশি ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করেছে নাথান এলিসও। তাই তাদের কৃতিত্ব দিচ্ছেন স্পেন্সার জনসন।
তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, 'আমাদের বোলাররা যেভাবে বল করেছে তার ক্রেডিট দিতেই হবে। আমাদের দলে জাম্পার মতো বিশ্বের সেরা লেগ স্পিনার আছে এবং নাথান এলিস গত পাঁচ বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের ক্রিকেটে অবিশ্বাস্য পারফর্ম করে আসছে। তাই তাদের দুজনের চমৎকার বোলিংয়ের ওপর ভিত্তি করে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করাটা অনেক সহজ হয়ে যায়।'
সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১৯৭ রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ৭ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে শেষ ম্যাচে ১০৯ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ। জবাবে অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেট হাতে রেখেই জিতে নিয়েছে ম্যাচ। আর তাতেই নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের হোয়াইটওয়াশ। জনসন স্বীকার করে নিয়েছেন দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ কঠিন পরীক্ষায় ফেলে দিয়েছিল তাদের।
এই অজি পেসার যোগ করেন, 'গতদিনের ম্যাচে তারা আমাদের বেশ কঠিন পরীক্ষায় ফেলেছিল। আমরা ওয়ানডে সিরিজেও দেখেছি তারা কতটা ভালো দল। তাদের ব্যাটাররা বেশ আগ্রাসী ব্যাটিং করে। তাই এখানে এসে জেতাটা খুবই কঠিন। তবে টেস্ট সিরিজ খেলতে তারা যখন অস্ট্রেলিয়া সফরে আসবে, আমি সেই ম্যাচগুলোর দিকে তাকিয়ে আছি। আশা করি সেটি বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে।'
ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা পারফর্মার ছিলেন নাহিদ রানা। ওয়ানডে সিরিজে একটি মাত্র ম্যাচ খেলেছেন তিনি। শেষ ম্যাচে ১ ওভারে ২০ রান খরচ করে উইকেটশূন্য ছিলেন এই পেসার। জনসন মনে করেন যখন কোনো পেসার ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করে তার বিরুদ্ধে যেকোনো সময় ব্যাটিং করা কঠিন।
তিনি বলেন, 'ওয়ানডে ম্যাচগুলো তো ঢাকায় হয়েছিল, সেখানকার কন্ডিশন কিছুটা ভিন্ন ছিল। নাহিদ রানা সেখানে ১৫০ কিমি গতিতে বল করছিল; আর কোনো বোলার যখন এই গতিতে বল করে, তখন উইকেট যেমনই হোক না কেন, ব্যাটিং করাটা সবসময়ই কঠিন। তাই তার বোলিংয়ের ধরন এবং পারফরম্যান্সের কৃতিত্ব তাকে দিতেই হবে। তবে সামগ্রিক উইকেটের পার্থক্য নিয়ে আমি পুরোপুরি নিশ্চিত নই।'